মোদির কোট থেকে পাগড়ি – তাঁর সাজগোজ বরাবরই বেশ চর্চায়। কারণ, তাঁর পোশাক নির্বাচনের অন্তর্নির্হিত অর্থ যথেষ্ট গাঢ়। স্বাধীনতা দিবসেও তার হেরফের হল না। এবার মোদির সাজসজ্জায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় পাগড়িতে।
আরও পড়ুন:
এদিন মোদির পরনে ছিল দুধসাদা কুর্তা-পায়জামা। সঙ্গে বাদামি রঙের হাতকাটা জ্যাকেট পরেন। পকেটে গোঁজা ছিল তেরঙ্গা স্কয়ার। আর মাথায় ছিল লাল ও মেরুন রঙের বাঁধনি কাপড়ের পাগড়ি। স্বাধীনতা দিবসের কথা মাথায় রেখে তাতে রয়েছে সাদা, হলদে, সবুজ বিন্দু। সবমিলিয়ে যথেষ্ট উজ্জ্বল এই পাগড়ি।

সংস্কৃত শব্দ ‘বান্ধি’ থেকে এসেছে বাঁধনি। সুতি কিংবা রেশম কাপড়ের উপর সাধারণত বাঁধনির কাজ করা হয়। কারিগরেরা বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কাপড়গুলির ছোট ছোট অংশ টেনে তুলে সুতো দিয়ে শক্ত করে বেঁধে দেয়। তারপর ওই কাপড়টি রঙিন জলে ডোবানো হয়। তাতেই এক এক জায়গায় এক একটি রং হয়ে যায়। এই পদ্ধতি টাই অ্যান্ড ডাই হয় কাপড়ে। সেটি ‘বাঁধনি’ নামে পরিচিত। সাধারণত রাজস্থান এবং গুজরাটে ‘বাঁধনি’র কাজ করেন। মোদিও সেই ‘বাঁধনি’কেই বেছে নিয়েছে। হস্তশিল্পের সমৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে এই ধরনের ‘বাঁধনি’ কাজের পাগড়ি বেছে নিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও ২০১৪ সালের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে লাল পাগড়ি পরেছিলেন মোদি। সেখানে সোনালি রঙের নকশা ছিল।

আবার ২০১৫ সালে পাগড়িতে হলদে রঙের ছোঁয়া ছিল। তবে সেবার পাগড়ির মাপ অন্যান্য বছরের তুলনায় সামান্য ছোট ছিল।

এবারও বাঁধনির পাগড়ি পরে সকলের নজর কাড়লেন মোদি। স্বাধীনতা দিবসে দীর্ঘ ভাষণে ‘বিকশিত ভারত’, জেন জি-র পাশে দাঁড়ানো নিয়ে যেমন চর্চা হচ্ছে, তেমনই পাগড়ি নিয়েও কৌতূহলের শেষ নেই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!