Kolkata

ঐতিহ্যের হাতা-খুন্তিতেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, ‘বেটার কিচেন’ ম্যাগাজিনের আয়োজনে কলকাতায় শেফদের আসর

আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে কি ভারতীয় মশলার সুবাস? নাকি তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে তা পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বদরবারে? সম্প্রতি কলকাতার গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্টে (GNIHM) সুসম্পন্ন হল ‘এভারেস্ট বেটার কিচেন কুলিনারি চ্যালেঞ্জ’ (BKCC)-এর সপ্তম সিজন। বেটার কিচেন ম্যাগাজিনের এই আয়োজনে মূল আকর্ষণ ছিল ভারতীয় আঞ্চলিক রান্নার বৈচিত্র্য। ‘ফ্লেভার্স অফ ইন্ডিয়া’ থিমকে সামনে রেখে বাংলার উদীয়মান শেফরা ফুটিয়ে তুললেন দেশের রন্ধনশৈলীর এক অনন্য রূপ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৯:০৯

options
link
ঐতিহ্যের হাতা-খুন্তিতেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, ‘বেটার কিচেন’ ম্যাগাজিনের আয়োজনে কলকাতায় শেফদের আসর
কলকাতার গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্টে (GNIHM) সুসম্পন্ন হল ‘এভারেস্ট বেটার কিচেন কুলিনারি চ্যালেঞ্জ’ (BKCC)-এর ৭ম সিজন।

আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে কি ভারতীয় মশলার সুবাস? নাকি তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে তা পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বদরবারে? সম্প্রতি কলকাতার গুরু নানক ইনস্টিটিউট অফ হোটেল ম্যানেজমেন্টে (GNIHM) সুসম্পন্ন হল ‘এভারেস্ট বেটার কিচেন কুলিনারি চ্যালেঞ্জ’ (BKCC)-এর সপ্তম সিজন। বেটার কিচেন ম্যাগাজিনের এই আয়োজনে মূল আকর্ষণ ছিল ভারতীয় আঞ্চলিক রান্নার বৈচিত্র্য। ‘ফ্লেভার্স অফ ইন্ডিয়া’ থিমকে সামনে রেখে বাংলার উদীয়মান শেফরা ফুটিয়ে তুললেন দেশের রন্ধনশৈলীর এক অনন্য রূপ।

Advertisement
শহরের বহু প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রী তাঁদের সৃজনশীলতা ও রান্নার কারিশমা প্রদর্শন করেন।

এবারের প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্যই ছিল আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে আধুনিক উপস্থাপনার মেলবন্ধন ঘটানো। আয়োজকদের মতে, ভারতীয় খাবারের পুষ্টিগুণ এবং মৌলিকত্ব বজায় রেখে তাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রতিষ্ঠা করাই এই উদ্যোগের আসল উদ্দেশ্য। কলকাতা পর্বে শহরের বহু প্রতিভাবান ছাত্রছাত্রী তাঁদের সৃজনশীলতা ও রান্নার কারিশমা প্রদর্শন করেন। শুধু মূল রান্না নয়, এর পাশাপাশি আয়োজিত হয়েছিল বেকারি চ্যাম্পিয়ন, এফ অ্যান্ড বি ইয়াং মাস্টার্স চ্যালেঞ্জ এবং এনজো হাউসকিপিং অলিম্পিয়াডের মতো বিভাগীয় প্রতিযোগিতা। সব মিলিয়ে হোটেল ম্যানেজমেন্টের পড়ুয়াদের জন্য এটি ছিল এক বৃহত্তর প্ল্যাটফর্ম।

Advertisement

এই আয়োজন নিয়ে বেটার কিচেনের প্রকাশক একতা ভার্গব অত্যন্ত আশাবাদী। তিনি জানান, তরুণ শেফদের মধ্যে আঞ্চলিক রন্ধনশৈলী নিয়ে আগ্রহ তৈরি করা জরুরি। ঐতিহ্য ও নতুনত্বের এই মেলবন্ধনই আগামী দিনে ভারতীয় স্বাদকে বিশ্বের দরবারে আরও উঁচুতে নিয়ে যাবে। এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিজয়ীদের জন্য খুলে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক সুযোগের দরজা। ৫00 মার্কিন ডলারের স্কলারশিপ থেকে শুরু করে আমেরিকা ও ইউরোপে উচ্চশিক্ষা বা ইন্টার্নশিপের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে অংশগ্রহণকারীদের সামনে।

Advertisement
অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে আমেরিকা ও ইউরোপে উচ্চশিক্ষা বা ইন্টার্নশিপের সুযোগ রয়েছে।

আর্থিক পুরস্কারের ক্ষেত্রেও থাকছে চমক। জাতীয় স্তরের বিজয়ীদের জন্য নগদ ৫১ হাজার, ২১ হাজার এবং ১১ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বিজয়ী পড়ুয়াদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকেও আর্থিক সম্মানে ভূষিত করা হবে। ভারত সরকারের পর্যটন মন্ত্রক (ইনক্রেডিবল ইন্ডিয়া), ভারতগ্যাস, গুজরাট ট্যুরিজম এবং এভারেস্টের মতো নামী সংস্থাগুলি এই আসরকে সমর্থন জানিয়েছে। কলকাতার এই সফল পর্ব শেষে এখন সকলের নজর জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত লড়াইয়ের দিকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.