Cancer vaccine

প্রথম ক্যানসার টিকার সফল প্রয়োগ রাশিয়ায়, আশার আলো দেখছে গোটা বিশ্ব

দাবি করা হয়েছে, টিকা নেওয়া রোগী সুস্থ রয়েছেন। এবং তাঁর শরীরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২৬, ২০:৫০

options
link
প্রথম ক্যানসার টিকার সফল প্রয়োগ রাশিয়ায়, আশার আলো দেখছে গোটা বিশ্ব
ক্যানসার টিকার সফল প্রয়োগ রাশিয়ায়।

গোটা বিশ্বের ত্রাস ক্যানসার কী এবার নির্মুলের পথে! সেই সম্ভাবনাতেই সিলমোহর দিয়ে মানব শরীরে প্রথমবার প্রয়োগ করা হল ক্যানসারের টিকা। রাশিয়ার তৈরি মেলানোমার (ত্বকের ক্যানসার) চিকিৎসায় এই টিকার প্রাথমিক ফল অত্যন্ত আশাব্যাঞ্জক বলে দাবি করেছে সেখানকার গবেষকরা। দাবি করা হয়েছে, টিকা নেওয়া রোগী সুস্থ রয়েছেন। এবং তাঁর শরীরে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অভিনব এই টিকা প্রস্তুতকারী সংস্থা ‘গামালেয়া রিসার্চ ইনস্টিটিউট’। সংস্থার বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান আলেকজান্ডার গিনজবার্গ রুশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যে রোগীর শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন। তাঁর শরীরে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। রোগীর শরীরে এমন সক্রিয় উপাদান তৈরি হচ্ছে, যার মাধ্যমে রোগী টিউমার ও এর মেটাস্টেসিসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারবে। টিকার প্রথম প্রয়োগের পর এখনও পর্যন্ত গোটা পরিস্থিতি অত্যন্ত আশানুরূপ।

Advertisement

বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান আলেকজান্ডার গিনজবার্গ রুশ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, যে রোগীর শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল তিনি বর্তমানে সুস্থ ও স্বাভাবিক রয়েছেন। তাঁর শরীরে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বছর রাশিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রক স্বদেশী পদ্ধতিতে তৈরি দুটি ক্যানসার চিকিৎসার অনুমোদন দেয়। এরই একটি উন্নত পর্যায়ের মেলানোমার জন্য তৈরি এমআরএনএ-ভিত্তিক টিকা ‘নিওঅনকোভ্যাক’। অন্যটি হলো কলোরেক্টাল ক্যানসার বা পাকস্থলীর ক্যানসারের জন্য তৈরি পেপটাইডভিত্তিক ওষুধ ‘অনকোপেপ্ট’। চলতি বছরের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো নিওঅনকোভ্যাক মানবশরীরে প্রয়োগ করা হয়। ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তির শরীরে তা প্রয়োগ করা হয়।

Advertisement

এই ব্যক্তি মেলানোমা ক্যানসারের থার্ড স্টেজে (তৃতীয় পর্যায়ে) ছিলেন, তাঁর শরীরের অন্যান্য অংশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছিল এই মারণ রোগ। বর্তমানে এই রোগী মস্কোর হারজেন অনকোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউটে চিকিসাধীন। গিনজবার্গ বলেন, রোগীকে এই টিকার আরও দুটি ডোজ দেওয়া হবে। পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় তাঁর রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা পর্যবেক্ষন করা হবে। এই রোগী ছাড়া আরও ১০ জন রোগীর জন্য আলাদাভাবে টিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। আগামী দেড় থেকে তিন মাসের মধ্যে সেগুলো প্রস্তুত হবে বলে জানিয়েছেন গিনজবার্গ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.