Frozen Chicken

প্যাকেটের মাংসে লিভারের ক্ষতি! পাড়ার দোকানেই ভরসা বিশেষজ্ঞদের

লিভার ভালো রাখার উপায়ও বাতলেছেন চিকিৎসকরা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ২০:৩২

options
link
প্যাকেটের মাংসে লিভারের ক্ষতি! পাড়ার দোকানেই ভরসা বিশেষজ্ঞদের

প্রিজারভেটিভের ফাঁদে মলের মাংস। নিরাপদ পাড়ার নিষ্প্রভ একচিলতে মুরগি-পাঁঠার দোকানই। শহরের তাবড় যকৃত রোগ বিশেষজ্ঞরা এমনটাই জানালেন ‘বেঙ্গল লিভার সামিট’-এ। একই সঙ্গে বললেন, দু’হাজার বছরের বেশি প্রাচীন গ্রন্থ চরক সংহিতাতেই লুকিয়ে যকৃত ভালো রাখার রহস্য। বেঙ্গল লিভার সামিটে প্রাচীন আয়ুর্বেদ গ্রন্থ নিয়ে যখন আলোচনা চলছে মঞ্চে তখন মিচিগান মেডিক্যাল স্কুলের গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজি এবং হেপাটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. রবার্ট ফন্টানা, ইন্ডিয়ান সোসাইটি অফ গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজির সভাপতি অধ্যাপক চিকিৎসক উদয় সি ঘোষাল, ইনস্টিটিউট অফ গ্যাস্ট্রোসায়েন্স অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্লান্ট-এর প্রধান ডা. মহেশ কে গোয়েঙ্কা।

Advertisement

দেখা গিয়েছে, নয়া প্রজন্ম মাংস কিনছে অনলাইনে, শপিং মলের ফ্রিজ থেকে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এগুলো সবই অনেকদিন আগের কাটা। পচন ঠেকাতে রেখে দেওয়া হয় প্রিজারভেটিভ দিয়ে। সেখানেই ঘনাচ্ছে বিপদ। লিভার সুস্থ রাখতে পাড়ার মুরগি-পাঁঠার মাংসের দোকান অনেক নিরাপদ। কারণ? ডা. উদয় সি ঘোষাল জানিয়েছেন, প্যাকেটবন্দি মাংস তাজা রাখতে প্রিজারভেটিভ দেওয়া হয়। এমন মাংস কেনার সময় অবশ্যই প্যাকেটের গায়ে মাস-তারিখ দেখুন। যদি দেখেন মাংস প্যাকেটজাত হওয়ার পর এক মাস পেরিয়ে গিয়েছে ভুলেও কিনবেন না। এর নেপথ্যে বেশ কিছু যুক্তি। সাধারণত প্যাকেটজাত মাংসে নাইট্রেট ও নাইট্রাইট, সালফাইট, ফসফেট ও অতিরিক্ত লবণ থাকে। এই প্রিজারভেটিভ লিভারে চর্বি জমতে সাহায্য করে। ধারাবাহিকভাবে এই প্রিজারভেটিভ শরীরে প্রবেশ করলে লিভারের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ডা. উদয় সি ঘোষালের বক্তব্য, “যে কেমিক্যাল মাংসকে নষ্ট হতে দেয় না আঁচ করতে পারেন তা শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর।”

Advertisement

লিভার ভালো রাখার উপায়ও বাতলেছেন চিকিৎসকরা। তার জন্য শরণাপন্ন হয়েছেন আয়ুর্বেদের। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রাচীন চরক সংহিতায় বলা হয়েছে, যে কোনও অসুখের উৎস এই লিভার বা যকৃৎ। হৃদরোগ এমনকী মস্তিষ্কের সমস্যার সঙ্গেও যকৃতের সূক্ষ্ম সম্পর্ক রয়েছে। তা কি সত্যিই? চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লিভারে চর্বি শরীরে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ার ইঙ্গিত। তা থেকে হৃদরোগের সম্ভাবনা প্রবল। থাকতে হবে নির্মেদ। চিকিৎসকদের নিদান, ওজন রাখতে হবে নিয়ন্ত্রণে। ৫ ফুট উচ্চতার পুরুষের জন্য যথাযথ ওজন ৫০ কেজি। ৫ ফুট উচ্চতার মহিলার ওজন হওয়া উচিত ৪৫ কেজির আশপাশে। ওজন বেশি হলে দ্রুত তা কমাতে বলছেন চিকিৎসকরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.