ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে মেদিনীপুরের মাটিত রাজনৈতিক বদলের ইঙ্গিত! জেলায় বিজেপির দুই বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিতে চেয়ে তদ্বির করছেন। কিন্তু জনতার দাবিকে প্রাধান্য দিয়ে সেই দরজা বন্ধ রেখেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মেদিনীপুরের রণসংকল্প সভা থেকে সেকথাই শোনালেন তিনি। এ প্রসঙ্গে খড়গপুরের বিজেপির তারকা বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নামোল্লেখ করে অভিষেকের বক্তব্য, ”এই তো অজিত মাইতির (জেলা তৃণমূল সভাপতি) সঙ্গে হিরণ আমার অফিসে এসেছিল। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছিল। নিইনি। এখনও মেদিনীপুরের ২ বিজেপি বিধায়ক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। কিন্তু এখানের জনতার দাবি মেনে, ইচ্ছের কথা ভেবে আমরা দরজা বন্ধ রেখেছি।”
অভিষেকের বক্তব্য, ”এই তো অজিত মাইতির (জেলা তৃণমূল সভাপতি) সঙ্গে হিরণ আমার অফিসে এসেছিল। তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছেপ্রকাশ করেছিল। নিইনি। এখনও মেদিনীপুরের ২ বিজেপি বিধায়ক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। কিন্তু এখানের জনতার দাবি মেনে, ইচ্ছের কথা ভেবে আমরা দরজা বন্ধ রেখেছি।”
আরও পড়ুন:
টার্গেট এখন আর জয় নয়। আগের তিনবারের তুলনায় ব্যবধান আরও বাড়িয়ে চতুর্থবার বাংলার মাটিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যে নির্বাচনের আগে গোটা রাজ্য চষে বেড়াচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কর্মসূচির নাম ‘যতই করো হামলা/আবার জিতবে বাংলা’। শনিবার তিনি মেদিনীপুর শহরে জনসভা করেছেন। মেদিনীপুরকে ১৫-০ করতে হবে, দলের কর্মীদের এই টার্গেট বেঁধে দেন অভিষেক। এই মুহূর্তে পশ্চিম মেদিনীপুরে বিজেপি বিধায়ক মাত্র ২ জন – খড়গপুরের হিরণ এবং ঘাটালের শীতল কপাট।

মেদিনীপুরের রণসংকল্প সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: ফেসবুক।
আর এ প্রসঙ্গেই বিজেপি বিধায়কদের তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্যটি ফাঁস করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বলেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছার কথা। উল্লেখ্য, বছর দুই আগেই অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে হিরণ একবার গিয়েছিলেন। সেই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর তুমুল চর্চা শুরু হয়েছিল, টলিউড নায়ক তথা একসময়ে তৃণমূলের যুবনেতা ফের শিবির বদলাতে চাইছেন।
বছর দুই আগেই অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে হিরণ একবার গিয়েছিলেন। সেই ছবি ভাইরাল হওয়ার পর তুমুল চর্চা শুরু হয়, টলিউডের ‘হিরো’ তথা একসময়ে তৃণমূলের যুবনেতা ফের শিবির বদলাতে চাইছেন।
ইদানিং সেই হিরণ ফের চর্চায় উঠে এসেছেন। তার কারণ, বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেডে দিলীপ ঘোষের সক্রিয় হওয়া। শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপি সভাপতি দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরনো নেতাদের ফের চাঙ্গা করে তুলছেন। এমন সময়ে দিলীপ ঘোষ ফের নিজের গড় খড়গপুর থেকে ভোটে লড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাতে বেঁকে বসেন হিরণ। নিজের আসন টলমল দেখে তাঁর মত, বর্তমান বিধায়ককে নিজের আসন থেকে সরানোর সিদ্ধান্ত সমর্থনযোগ্য নয়। আর এই আবহেই হিরণের দলবদলের ইচ্ছার কথা ফাঁস করলেন অভিষেক। বোঝালেন, দলে বেনোজল আটকে দিয়েছেন তিনি। এবার দলের কর্মীরা তাঁকে উপহার হিসেবে দেবেন খড়গপুর আসনটি।
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ
-
হোমিওপ্যাথিই শ্রেষ্ঠ! পোস্ট করে বিপাকে অনুষ্কা শর্মা, ‘অশিক্ষিত সেলেব’ বলে কটাক্ষ চিকিৎসকের
-
বঙ্গভবনে ক্ষণিকের ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ই বদলাল রাজ্য রাজনীতির ভাগ্য! ঋতব্রতর আড়ালে কার হাত?