Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Soumitrisha Kundu

‘গিরগিটির মতো রং বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন’, SIR শুনানিতে ডাক পেয়ে ক্ষুব্ধ ‘মিঠাই’ সৌমিতৃষা

SIR Hearing: এসআইআর প্রক্রিয়ায় আপত্তি নেই অভিনেত্রীর, তবে ভোটের মুখে আমজনতার হয়রানিতে ক্ষুব্ধ 'মিঠাই'। বিশেষ করে, প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন অভিনেত্রী।

Advertisement
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৫:৩৮

link
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৫:৩৮

options
link
‘গিরগিটির মতো রং বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন’, SIR শুনানিতে ডাক পেয়ে ক্ষুব্ধ ‘মিঠাই’ সৌমিতৃষা zoom

সঠিক নথিপত্র জমা দিয়েও এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন টেলিদর্শকদের প্রিয় ‘মিঠাই’। অভিযোগ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় অভিনেত্রীর নথিতে তাঁর বাবার নামের বানান ভুল করা হয়েছে। আর সেই প্রেক্ষিতেই কম নোটিস পিরিয়ডে সৌমিতৃষা কুণ্ডু (Soumitrisha Kundu) এবং তাঁর পরিবারকে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। যদিও এসআইআর প্রক্রিয়ায় আপত্তি নেই অভিনেত্রীর, তবে ভোটের মুখে আমজনতার হয়রানিতে ক্ষুব্ধ ‘মিঠাই’। বিশেষ করে, প্রবীণ নাগরিকদের কথা ভেবে উদ্বিগ্ন অভিনেত্রী।

এসআইআর শুনানিতে ঠিক কোন কারণে ডাক পেলেন সৌমিতৃষা? এপ্রসঙ্গে অভিনেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল সংবাদ প্রতিদিন-এর তরফে। তিনি জানান, “আমার বয়স অনুযায়ী ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় আমার নাম থাকার কথা নয়। কিন্তু আমার মা-বাবার নাম রয়েছে। আমার নথিতে কোনও ভুল নেই। তবে ওদের কাছে যে তালিকা রয়েছে, সেটায় আমার নথিতে আমার বাবার নামের বানান ভুল করা হয়েছে।” এরপরই ভোটের প্রাক্কালে কমিশনের এহেন এসআইআর কর্মযজ্ঞের তাড়াহুড়ো নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন টেলিনায়িকা।

Advertisement

সৌমিতৃষা কুণ্ডুর কথায়, “গিরগিটির মতো রং বদলাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এই একটা বলছে, আবার পরের দিন অন্য কথা বলছে। কাল আমাকে জানানো হল, মাধ্যমিকের ডকুমেন্ট দিয়ে কাজ হবে না। অথচ, তার আগের দিনই আমাকে বলা হয়েছিল প্রমাণস্বরূপ যে কোনও নথি জমা দিলেই হবে। ভোটের ঠিক আগমুহূর্তে এত তড়িঘড়ি করে এটা কি ছেলেখেলা হচ্ছে! এসআইআর যদি হতেই হত তাহলে সুপরিকল্পিতভাবে হওয়া উচিত ছিল। ওদের তালিকায় যেহেতু ভুল রয়েছে, তাই চারদিনের নোটিসে আমাকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন সময়সীমা বাড়ানো যাবে না এক্ষেত্রে, এটাই আমার প্রশ্ন।” এরপরই প্রবীণ নাগরিকদের জন্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

সৌমিতৃষা বলছেন, “আমার না হয় বয়স কম। আমি শক্তসামর্থ। যাঁরা প্রবীণ, যাঁদের সেরকম আর্থিক স্বচ্ছলতা নেই, তাঁদের দফায় দফায় অটো-টোটো ভাড়া করে যেভাবে যেতে হচ্ছে, লাইন দিয়ে দাঁড়াতে হচ্ছে, সেটা তো হয়রানি। আমরা তো সকলে দায়িত্ববাণ নাগরিকের মতো ট্যাক্স দিচ্ছি। সেই প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত নির্বাচন কমিশনকে অন্তত এটুকু বলা যে, প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বাড়িতে লোক পাঠানো হোক। তাহলে লোক এত আতঙ্কিত হবেন না বা প্রবীণরা এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বেন না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.