Kareena Kapoor

তীব্র গরমেও কীভাবে ‘কুল’ থাকবেন করিনা? ৩টি দারুণ টিপস দিলেন পুষ্টিবিদ

সম্প্রতি বলিউডের ‘বেবো’ করিনা কাপুর খানের প্রিয় পুষ্টিবিদ রুজুতা দিওয়েকর গরমকে মাত দেওয়ার ৩ অকৃত্রিম দেশি উপায়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন। যা একাধারে শরীর জুড়োবে, অন্যধারে ফিরিয়ে দেবে ত্বকের জেল্লাও! আর এই টোটকা মেনেই এত গরমিতেও নিজেকে 'কুল' রেখেছেন বেবো। আপনিও ট্রাই করবেন নাকি?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৬:৪০

options
link
তীব্র গরমেও কীভাবে ‘কুল’ থাকবেন করিনা? ৩টি দারুণ টিপস দিলেন পুষ্টিবিদ
এই টোটকা মেনেই এত গরমিতেও নিজেকে 'কুল' রাখেন বেবো। আপনিও ট্রাই করবেন নাকি?

গ্রীষ্মের রুদ্ররূপে পুড়ছে চারপাশ। বেলা বাড়লেই আকাশ থেকে যেন আগুন ঝরছে। এসি কিংবা কুলার চালিয়েও মিলছে না স্বস্তি। শরীর যেন সারাক্ষণই ক্লান্ত, ম্যাড়মেড়ে। এই চরম দহনদিনে শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখাটাই আসল চ্যালেঞ্জ। কৃত্রিম ঠান্ডা তো সাময়িক আরাম দেয়। কিন্তু শরীরকে শান্ত করতে ভরসা রাখতে হবে মা-ঠাকুমাদের আমলের চেনা টোটকাতেই। সম্প্রতি বলিউডের ‘বেবো’ করিনা কাপুর খানের প্রিয় পুষ্টিবিদ রুজুতা দিওয়েকর গরমকে মাত দেওয়ার এমনই তিন অকৃত্রিম দেশি উপায়ের কথা মনে করিয়ে দিলেন। যা একাধারে শরীর জুড়োবে, অন্যধারে ফিরিয়ে দেবে ত্বকের জেল্লাও! আর এই টোটকা মেনেই এত গরমিতেও নিজেকে ‘কুল’ রাখেন বেবো। আপনিও ট্রাই করবেন নাকি?

Advertisement

জলের পাত্রে রাখুন বেনা ঘাস
গ্রীষ্মে অনেকেরই সাধারণ জল খেতে একঘেয়ে লাগে। রুজুতার পরামর্শ, মাটির কুঁজোর জলে দু-তিনটি খসখসের শিকড় (ভেটিভার বা ওয়ালা) ফেলে রাখুন। বঙ্গে বেনা ঘাস নামে পরিচিত। তবে এর শিকড়কে খসখসে বলা হয়। এটি জলের স্বাদ বদলাবে, আনবে প্রাকৃতিক মিষ্টত্ব। খসখস ভেজানো এই জল শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে। এক-একটি শিকড় টানা তিন দিন পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। পরে তা স্নানের জলেও মিশিয়ে ব্যবহার করে ফেলতে পারেন। বিশেষত যাঁরা ব্রণ বা খুসকির সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই জল দারুণ উপকারী। তবে যাঁদের প্রায়ই মাথাধরা বা মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের এটি এড়িয়ে চলাই ভালো।

Advertisement
ফাইল ছবি

হাতে মেহেন্দির শীতল পরশ রাখুন
রুজুতার দ্বিতীয় দাওয়াইটি কিন্তু একই সঙ্গে দারুণ এক বিউটি রিচুয়াল। তা হল হাতে প্রাকৃতিক মেহেন্দি বা হেনা লাগানো। ব্যস্ত জীবনে এই অভ্যাস এখন প্রায় হারিয়েই গিয়েছে। মেহেন্দি শুধু হাতের সৌন্দর্য বাড়ায় না, এর রয়েছে নিজস্ব ঔষধি গুণ। এটি শরীর থেকে অতিরিক্ত তাপ শুষে নিয়ে প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা রাখে। শুধু তাই নয়, মেহেন্দির হালকা সুবাস মনকে শান্ত করে, দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝেও এনে দেয় এক অদ্ভুত মানসিক প্রশান্তি।

Advertisement
 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Rujuta Diwekar (@rujuta.diwekar)

ঘোলের জাদুতে চাঙ্গা করুন শরীর
গরমের দিনে অমৃতের সমান হল ঘোল বা ছাঁচ। পুষ্টিবিদের মতে, তীব্র গরমে দিনে অন্তত দু-তিন বার ঘোল খাওয়া উচিত। ঘোলের ছানাকাটা জলে থাকে প্রচুর প্রোটিন, ক্যালশিয়াম এবং ভিটামিন বি-১২। এটি একাধারে প্রিবায়োটিক, প্রোবায়োটিক এবং পোস্টবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। তবে এর সবচেয়ে বড় গুণ হল, অতিরিক্ত গরমে শরীরে যে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ঘোল তা নিমেষেই ঠিক করে দেয়। একটু নুন, সামান্য হিং আর জিরে গুঁড়ো মিশিয়ে খাবারের সঙ্গে এই ঘোল খেলে হজম ভালো হয়। খিদে মরে যাওয়ার সমস্যা দূর হয়, পেট হালকা থাকে এবং ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়ে চমৎকার ভাবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.