Prescription Plus

খাওয়ার পর একটু মিষ্টি না হলে চলে! জানেন, এই অভ্যাস আসলে কীসের বিপদ ঘণ্টা?

খাবারের পর মিষ্টির তীব্র চাহিদা স্বাভাবিক নয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ১৮:৪১

options
link
খাওয়ার পর একটু মিষ্টি না হলে চলে! জানেন, এই অভ্যাস আসলে কীসের বিপদ ঘণ্টা?
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাঙালি মানেই ভোজনরসিক। আর জমিয়ে খাওয়ার পর ‘একটু মিষ্টি’ না হলে যেন মন ভরে না! মিষ্টি ছাড়া ডিনার বা লাঞ্চ শেষ করা অনেকের কাছেই অসম্ভব। এই মিষ্টির আবদার কি শুধু মনের? নাকি এর নেপথ্যে রয়েছে শরীরের গোপন কোনও বার্তা? ডাক্তাররা কিন্তু বলছেন, প্রায়শই মিষ্টির এই চাহিদা শরীরের বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।Prescription Plusভারী খাবার, বিশেষত ভাত, রুটি বা ময়দার মতো পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে এই সমস্যা হয়। এই খাবারগুলি শরীরে দ্রুত হজম হয়। ফলে রক্তে গ্লুকোজ বা চিনির মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। এই মাত্রা সামলাতে শরীর দ্রুত বেশি পরিমাণে ইনসুলিন তৈরি করে। কিন্তু ইনসুলিন যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কাজ করে ফেলে, তখন রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত কমতে থাকে। ডাক্তারি পরিভাষায় এটিকে রিঅ্যাকটিভ হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলে।

Advertisement

রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত কমে গেলেই মস্তিষ্ক আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সে দ্রুত শক্তি চায়। আর দ্রুত শক্তি জোগাতে পারে একমাত্র চিনি বা মিষ্টি। তাই মিষ্টি খাওয়ার জন্য তীব্র ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় শরীরে। এছাড়া, মিষ্টি খাবার আমাদের মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হরমোনের উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। এই হরমোন মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই মস্তিষ্ক বারবার সেই ‘একটু মিষ্টির’ জন্য শরীরকে আবদার করতে থাকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Daily post-meal sweet craving: A sign of health issue

Advertisement

চিকিৎসকদের মতে, প্রতিদিন খাবারের পর মিষ্টির এই তীব্র চাহিদা স্বাভাবিক নয়। এটি ইঙ্গিত দিতে পারে যে আপনি আপনার মূল খাবারে অতিরিক্ত শর্করা নিচ্ছেন। অথবা আপনার শরীরে ইনসুলিনের কাজে সামান্য সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এই অভ্যাস প্রি-ডায়াবেটিস বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

তাই শুধু জিভের স্বাদ মেটানোর জন্য নয়। নিয়মিত এমন মিষ্টির টান অনুভব করলে অবিলম্বে খাদ্যাভ্যাসে বদল আনা প্রয়োজন। খাবার থেকে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং চিনি কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে একবার রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.