সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যথা সবার জীবনে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। আর যন্ত্রণা হলে পেইনকিলার নেওয়াও খুব স্বাভাবিক ঘটনা। যন্ত্রণা থেকে মুক্তির জন্য সবসময়ই হাতের কাছে মজুত থাকে পেনকিলারের ওষুধ। কিন্তু জানেন কি, ওষুধ ছাড়াও ব্যথা থেকে উপশম সম্ভব। তার জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়।
১) আদা
রোগমুক্তির জন্য এটি খুব ভাল উপাদান। গলা ব্যথা হলে আদা খুব ভাল কাজ দেয়। এছাড়া পেট ব্যথা বা ঋতুস্রাবের সময় পেটে মোচড় দিলে আদা ব্যবহার করুন। এক্ষেত্রেও আদা উপকারী।
[ ফের পোকার বিষে ধুম জ্বর শিশুদের, শহরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ‘স্ক্রাব টাইফাস’ ]
২) কুমড়োর বীজ
এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এটি মাইগ্রেনের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও একাধিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয় কুমড়োর বীজ।
৩) হলুদ
হলুদের গুণাগুণ সম্পর্কে যতই বলা হোক, কম হবে। অনেক গুণের মধ্যে ব্যথার উপশমও এর একটি বড়সড় গুণ। পোড়া জায়গা বা ক্ষতস্থানে হলুদ লাগালে উপকার পাওয়া যায়। বাতের ব্যথাতেও ভাল কাজ দেয় হলুদ।

৪) চেরি
পেশির ব্যথায় সবচেয়ে উপকারী পদার্থ হল চেরি। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলোই ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
৫) অলিভ অয়েল
হাড়ের জয়েন্ট ভাল রাখতে অলিভ অয়েল খুব সাহায্য করে। কার্টিলেজের ক্ষমতাও বাড়ায় অলিভ অয়েল।
৬) মরিচ
যে কোনও রকমের ব্যথা তাড়াতে সাহায্য করে মরিচ। কয়েকটি সমীক্ষা এও জানিয়েছে, ত্বক ভাল রাখতে মরিচের জুড়ি মেলা ভার।
[ ঘুমন্ত অবস্থায় কথা বলেন? ঘরোয়া টোটকায় নিরাময় করুন সমস্যা ]
৭) মিন্ট
পেইনকিলার হিসেবে অব্যর্থ মিন্ট। পিপারমেন্ট তেলও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
১০) রেড ওয়াইন
লাল আঙুর থেকে তৈরি হয় রেড ওয়াইন। পিঠের ব্যথার জন্য উপকারী আঙুর। ফলে আঙুর থেকে তৈরি হওয়া রেড ওয়াইনও ব্যথার ওষুধ। এছাড়া স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও সাহায্য করে রেড ওয়াইন।
[ ভাইরাল জ্বরের সঙ্গে ফুসফুসে সংক্রমণ, বর্ষায় আক্রান্ত শিশুরাই ]
সর্বশেষ খবর
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ
-
‘তেল পাবেন না, গ্যাস পাবেন না, মানুষকে ভয় দেখিয়েই আনন্দ’, লালকেল্লায় বিরোধীদের বিঁধলেন মোদি
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর