বঙ্গে চড়ছে তাপমাত্রার পারদ। প্রখর রোদ। সঙ্গে ভ্যাপসা গরম। প্রাণ ওষ্ঠাগত প্রায়। বাড়ির কল খুললেই দুপুরে ফুটন্ত জল বেরোয়। এই জলে স্নান দূরে থাক, হাত ধুলেও ছ্যাঁকা লাগে। এ সমস্যা ঘরেঘরে। এমনকী বাইরেও। অর্থাৎ স্কুল, অফিস-কাছারি সবেতেই। ছাদের প্লাস্টিক ট্যাঙ্ক (Water Tank) গরমে এতটাই তেতে যায় যে সেই জল আর ব্যবহারের উপযুক্ত থাকে না। তাই, ব্যবস্থা না নিলেই ভুগতে হয় গোটা গ্রীষ্মজুড়ে। কয়েকটি উপায়ে এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। ঠিক কোন কাজটি করলেই মিলবে মুক্তি? জেনে নিন।
আরও পড়ুন:

১) বিজ্ঞান বলছে, গাঢ় রং দ্রুত তাপ শোষণ করে। আমাদের বাড়ির অধিকাংশ ট্যাঙ্কই কালো রঙের হয়। কিংবা নীল। ফলে সূর্যের তেজ সহজেই জল ফুটিয়ে দেয়। সমাধান হিসেবে ট্যাঙ্কের গায়ে সাদা রং করা যেতে পারে। সাদা রং তাপ প্রতিফলিত করে। ফলে ট্যাঙ্ক গরম হয় না। আরও সস্তা উপায় হল চুন ও ফেভিকলের মিশ্রণ। এই মিশ্রণের একটি মোটা প্রলেপ ট্যাঙ্কের গায়ে লাগিয়ে দিলে রোদের তেজ ভেতরে ঢুকতে পারে না। ফলে ট্যাঙ্কের জল থাকে ঠান্ডা।
২) ট্যাঙ্কটিকে সরাসরি সূর্যের আলো থেকে আড়াল করাও জরুরি। ছাদের ওপর যেখানে ট্যাঙ্ক রয়েছে, সেখানে বাঁশের চাটাই বা গ্রিন নেট দিয়ে একটি শেড বা ছাউনি তৈরি করে ফেলুন। এতে ট্যাঙ্ক সরাসরি রোদের সংস্পর্শে আসবে না। তাপমাত্রা থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

৩) বাজারে এখন ইনসুলেশন কভার বা জ্যাকেট কিনতে পাওয়া যায়। তবে খরচ বাঁচাতে বাড়িতেই থার্মোকলের শিট ব্যবহার করা যায়। ট্যাঙ্কের চারপাশ থার্মোকল দিয়ে ভালো করে মুড়িয়ে দিলে বাইরের উত্তাপ ভেতরে পৌঁছাতে পারে না। এটি অনেকটা থার্মোফ্লাস্কের মতো কাজ করে।
৪) অনেকের ক্ষেত্রে ট্যাঙ্ক ছায়ায় থাকলেও পাইপ দিয়ে গরম জল আসে। এর প্রধান কারণ খোলা প্লাস্টিকের পাইপ রোদে গরম হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে পাইপের গায়ে পাটের দড়ি বা ইনসুলেশন টেপ জড়িয়ে দিন। এতে পাইপ ঠান্ডা থাকবে এবং কল খুললেই আরামদায়ক জল পাওয়া যাবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি হাসপাতালে থ্রেট কালচারের মাথা! চিকিৎসক অভীক দে-র বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন
-
অতি ভারী বৃষ্টিতে ভাসল কলকাতা, উত্তর থেকে দক্ষিণের একাধিক রাস্তা জলমগ্ন!
-
ভয়াবহ ভূমিকম্পে কলম্বিয়ায় হাহাকার, তাসের ঘরের মতো ভাঙছে বাড়ি! মৃত অন্তত ৭৭
-
এখনই চূড়ান্ত নয়, ওবিসি জটিলতায় একাদশ-দ্বাদশের নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত!
-
টানা অনশনে শারীরিক অবস্থার অবনতি! হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল ঝাড়খণ্ডের ‘ওয়াংচুক’কে