ওঠা-পড়া নিয়েই জীবন। কখনও না কখনও আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সকলকেই। সেই দুর্দিনে ত্রাতা হয়ে দেখা দেয় পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুরা। কিন্তু সকলে যে শুধুমাত্র বিপদে পড়লেই ধার (Money Lending) নেন, তা ভাবলে কিন্তু ভুল করবেন। অনেকেই আছেন, যারা ধার নেওয়াটা তাঁদের স্বভাব। সামান্য সমস্যায় পড়লেই অন্যের দ্বারস্থ হতে পছন্দ করেন এরা। এখানেই শেষ নয়, টাকা ফেরতের তাগিদও এদের থাকে না। সেক্ষেত্রে আপনি নিজে সচেতন না হলে টাকা চোট যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। চলুন জেনে নেওয়া যাক এক্ষেত্রে কী করবেন।
১. কথায় আছে, অর্থ সম্পর্ক নষ্ট করে। কারও সঙ্গে আপনার যত ঘনিষ্ঠতাই থাকুক না কেন, যদি লেনদেন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়, তাহলে সুমধুর সম্পর্ক তিক্ত হতে সময় লাগে না। তাই ধার দেওয়ার সময়ই পরিষ্কার করে কথা বলে নিন। আপনি কতদিনে টাকা ফেরত চাইছেন। তা স্পষ্টভাবে জানান। কথার খেলাপ যে না পসন্দ সেটাও বুঝিয়ে দিন।

২. ঋণ দেওয়া বা নেওয়ার অঙ্কটা যদি বড় হয়, তাহলে সময় নিন। হঠকারী সিদ্ধান্ত নেবেন না। যদি অঙ্কটা বড় হয় তাহলে পরিবারের সদস্যদের সিদ্ধান্তও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করুন।
৩. যদি কাউকে বড় অঙ্ক ধার দেন, সেক্ষেত্রে লিখিত চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তাই নয়, কতদিনে ফেরত পাবেন তার ভিত্তিতে ধার্য করুন সুদের হার। আর এই সবটাই করবেন লিখিত আকারে। যদি এসব ঝামেলা এড়াতে চান, তাহলে যে ধার চাইছে তাঁকে ব্যাঙ্ক থেকে লোন নেওয়ার পরামর্শ দিন। যদি সুযোগ থাকে তাহলে নিজেই যোগাযোগ করিয়ে দিতে পারেন ব্যাঙ্কের সঙ্গে।
সর্বশেষ খবর
-
ঠাকুরঘরে টিকটিকির আনাগোনা কি মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ? কী বলছে বাস্তুশাস্ত্র
-
‘পড়ুয়াদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছেন’, নিট প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে উলটে রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
এক দশকের তিক্ততা ভুলে ‘রিইউনিয়ন’! ভরা মঞ্চে একতাকে জাপটে চুমু রামের
-
অস্থির বাজারে কীভাবে টিকে থাকবেন? জেনে নিন বিনিয়োগের বিশেষ ‘মন্ত্র’
-
বিধানসভায় বেনজির! ‘আসল’ তৃণমূল নিয়ে ধন্দ কাটাতে পিএসি চেয়ারম্যান পদে ভোটাভুটি