সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সামনেই আলোর উৎসব। আলোর মালায় সাজতে চলেছে গোটা বাংলা। তার আগে বাজারে আলোর পসরা নিয়ে তৈরি বিক্রেতারা। চলছে জোর বিকিকিনি। টুনি বাল্ব, মোমবাতি কিংবা প্রদীপ দিয়ে ঘর সাজাতে ব্যস্ত প্রায় সকলেই। আপনিও নিশ্চয়ই ব্যতিক্রম নন। আলো দিয়ে ঘর সাজাবেন বলে তৈরি? দীপাবলির (Diwali 2022) আগে জেনে নিন কোন ধরনের আলো বাজার কাঁপাচ্ছে।

মোমবাতি কিংবা সেন্টেড মোমবাতি (Candle) নতুন নয়। প্রতি বছরই দীপাবলির আগে বাজারে তা দেখাই যায়। এবার এই ধরনের মোমবাতিতে গোটা বাজার ভরে গিয়েছে। দামও সাধ্যের মধ্যে। বিক্রেতাদের দাবি, মোমবাতির বিক্রি অত্যন্ত বেশি। অনেকেই বাড়িকে আলোয় মুড়ে ফেলার জন্য এই ধরনের মোমবাতি কিনছেন।

[আরও পড়ুন: পুজোয় ব্যবহার করা ফুল ফেলে দিচ্ছেন? উৎসবের মরশুমে শুকনো ফুলেই সাজুক বাড়ি]
বাড়ির ব্যালকনি সাজানোর জন্য চেন আলোর (Chain Light) কোনও বিকল্প নেই। এই ধরনের আলো কেনেন অনেকেই। ন্যূনতম ৮০ টাকা খরচ করলেই মিলতে পারে এই ধরনের আলো। দামের পাশাপাশি বিদ্যুতের খরচও অত্যন্ত কম। তাই চেন আলোর চাহিদা বেশি।

এবার আলোয় এসেছে নানা নতুনত্ব। বাজার কাঁপাচ্ছে নেট ও জরির কাজ করা গোল কিংবা তারার মতো দেখতে আলো। আবার কোনও কোনও আলো দেখলে মনে হবে যেন মৌমাছি উড়ে যাচ্ছে। নতুন ধরনের এই আলোগুলি মন কেড়েছে প্রায় সকলের।

তেল ও তুলো দিয়ে সলতে তৈরি করে প্রদীপ তো বরাবরই জ্বালান। কিন্তু এবার বাজার ছেয়েছে জলের প্রদীপকে। আচমকা শুনলে হেঁয়ালি বলে মনে হতেই পারে। তবে জল দিয়ে জ্বালানো ম্যাজিক প্রদীপ দীপাবলির আলোর বাজারে ট্রেন্ডিং। কলকাতার বাজারগুলিতে ৫০ টাকা খরচ করলে এই ধরনের প্রদীপ পাওয়া যাবে। বিক্রেতাদের দাবি, জলের প্রদীপ বাজারে হু হু করে বিকোচ্ছে। নতুন ধরনের প্রদীপ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া গৃহস্থরাও প্রদীপ কিনে কম খুশি নন।

[আরও পড়ুন: অর্পিতার ফ্ল্যাটে ৫০ কোটি! জানেন, নিশ্চিন্তে বাড়িতে কত টাকা ও সোনা রাখা যাবে?]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যপালের দিকে পিছন ঘুরে দাঁড়ানোর ‘শাস্তি’! ৪ বছর ধরে কুচকাওয়াজে ব্রাত্য মাউন্টেড পুলিশের ঘোড়া
-
সাহগেল হোসেনের ফ্ল্যাটে উদ্ধার সোনা, বিপুল সম্পত্তির নথি! আটক অনুব্রতর প্রাক্তন দেহরক্ষী
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে নদিয়ায় জোড়া খুন! গুলিতে ঝাঁঝরা কংগ্রেস নেতা এবং তাঁর ছেলে
-
অন্ধপ্রদেশ থেকে ২০০ আইফোন চুরি! বাংলাদেশে পাচারের আগেই ফরাক্কায় ধৃত চার কীর্তিমান
-
‘ডিম থেরাপি’ নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল এবিভিপি, উপাসনার উপর হামলা নিয়ে কী বক্তব্য?