সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হৃদয়ে লেখো নাম সে নাম রয়ে যাবে। স্বর্ণযুগের বিখ্যাত গান সকলেরই শোনা। কিন্তু প্রেমিকের হৃদয় কি কেবল ওটুকুতেই বাঁধ মানে? প্রেমের খেয়ালে নাকি হুজুগে কত বিচিত্র শখ যে হয় মানুষের! ইরানের (Iran) এক যুবক যা ঘটিয়ে ফেলেছেন সেকথা শুনলে চমকে উঠবেন সকলেই। প্রেমিকার নামের আদ্যক্ষর তিনি খোদাই করিয়েছিলেন একেবারে নিজের পুরুষাঙ্গে! আর এমন বদ খেয়ালের মূল্যও চোকাতে হয়েছে তাঁকে।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যাচ্ছে, ২১ বছরের ওই যুবকের প্রেমিকার নামের আদ্যক্ষর এম। তিনি কেবল সেটুকুই ট্যাটু (Tattoo) করাতে চাননি। সেই সঙ্গে লেখাতে চেয়েছিলেন ‘বরো বি সালামত’। অর্থাৎ বাংলায় যার মানে দাঁড়ায় ‘তোমার যাত্রা শুভ হোক’। নিজের প্রেমকে ‘স্থায়ী’ করতে কী অভিনব মনোবাঞ্ছা! এপর্যন্ত শুনতে যতই মজাদার লাগুক, পরের ঘটনায় কিন্তু মজা নেই একফোঁটাও।
[আরও পড়ুন: ঝালমুড়ির আড়ালে মৃত্যু পরোয়ানা! যুবকের প্রাণ বাঁচালেন বর্ধমান মেডিক্যালের চিকিৎসকরা]
ট্যাটু করানোর পর যুবক দেখতে পান তাঁর লিঙ্গের অর্ধেক স্থায়ীভাবে দৃঢ় হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থাকে বলা হয় ‘নন ইস্কেমিক প্রিয়াপিজম’। আসলে ট্যাটুর সূচ লিঙ্গের ত্বক পেরিয়ে ভিতরের মাংসপেশির বেশ কিছুটা ভিতরে ঢুকে গিয়েছিল। এর ফলে একটা অঞ্চলে রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল।
যদিও একেবারে প্রথমে তেমন কিছু ঘটেনি। প্রথম ৮ দিন পুরুষাঙ্গে ব্যথা ছিল। এবং তা কিছুতেই শক্ত হচ্ছিল না। কিন্তু এরপরই ধীরে ধীরে দেখা যায়, সেটির অর্ধেক শক্ত হয়ে গিয়েছে। এবং অবস্থার পরিবর্তনের কোনও চিহ্ন নেই। দেখতে দেখতে তিন মাস এই ভাবেই কাটে। এরপর ওই যুবক সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসেকর পরামর্শ নেওয়ার। ‘জার্নাল অফ সেক্সুয়াল মেডিসিন’ নামের জার্নালে দাবি করা হয়েছে, এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম।
[আরও পড়ুন: মেঘলা আকাশ সত্ত্বেও কেন রোয়িংয়ের অনুমতি? রবীন্দ্র সরোবরে ছাত্রমৃত্যুতে একাধিক প্রশ্নের ভিড়]
সর্বশেষ খবর
-
খালি পেটে খেলতে হয়েছিল ফাইনালে! এশিয়াডে সোনা জিতে অজানা তথ্য ফাঁস কবাডি অধিনায়কের
-
বেআইনি চক্রের ষড়যন্ত্র! বর্ধমানের নার্সিংহোমে শিশুমৃত্যুতে গ্রেপ্তার ২ কর্ণধার
-
অর্থের অভাবে জোটেনি শিক্ষক, কনস্টেবলের ‘বিনামূল্যের’ কোচিংয়ে পড়েই পুলিশে চাকরি ২১ জনের
-
মুসলিম বলেই নাবালিকা স্ত্রী’র সঙ্গে যৌন সম্পর্কে ছাড় নয়! বড় সিদ্ধান্ত দিল্লি হাই কোর্টের
-
পড়ুয়াদের যৌনশিক্ষার পাঠ দিতে শসায় কন্ডোম! শিক্ষকের ভিডিও দেখলেন কোটি কোটি মানুষ