Apple and Google

নগ্ন ছবি দেখতে চাইলেও দিতে হবে বয়সের প্রমাণ, বড় পদক্ষেপের পথে অ্যাপেল ও গুগল!

অস্ট্রেলিয়া কিশোর-কিশোরীদের সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে আগেই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ১৯:২৬

options
link
নগ্ন ছবি দেখতে চাইলেও দিতে হবে বয়সের প্রমাণ, বড় পদক্ষেপের পথে অ্যাপেল ও গুগল!
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে অনূর্ধ্ব ১৬ কিশোর-কিশোরীদের সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অস্ট্রেলিয়া। এবার ব্রিটেনে মহিলা ও নারীদের বিরুদ্ধে হিংসা রুখতে পদক্ষেপ করতে চলেছে অ্যাপেল ও গুগল। অশ্লীল ছবি দেখার ক্ষেত্রে দিতে হবে বয়সের প্রমাণ। এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড- দুই ডিভাইসের ক্ষেত্রেই এটা চালু হচ্ছে। নগ্ন তথা আপত্তিকর ছবি দেখার ক্ষেত্রে আগে বয়সের প্রমাণ দিতে হবে। ব্রিটেন প্রশাসন বায়োমেট্রিক সাপোর্ট ব্যবহার করে বা সরকারি পরিচয়পত্র ব্যবহার করে এই পদক্ষেপগুলি সম্পন্ন করার পক্ষে মত দিয়েছে। সবদিক বিবেচনা করে বয়সের প্রমাণ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম চালু করা হবে। তবে আপাতত স্রেফ ফোনেই এটা করতে হবে। পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে ডেস্কটপ পিসির ক্ষেত্রেও তা লাগু হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বলে রাখা ভালো, দুই টেক জায়ান্টই কিন্তু ইতিমধ্যেই এই ধরনের কনটেন্টের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু পদক্ষেপ করেছে। কিন্তু ব্রিটেন সরকার সবদিক থেকেই এটা চালু করতে চায়। যাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দুই সংস্থা। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ও স্ন্যাপচ্যাটের মতো সংস্থাগুলিও যদি তাদের সঙ্গে হাত মেলায় তবে সব মিলিয়ে আরও দৃঢ়ভাবে এটা রোখা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সেদেশে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। বিশ্বে তারাই প্রথম দেশ যারা এমন পদক্ষেপ করেছে। ১০ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়ে গিয়েছে এই আইন। টিকটক ও ইনস্টাগ্রামেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে ইউটিউব কিডসের মতো মাধ্যমকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আইন কার্যকর হওয়ার পর থেকেই অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হয়েছে প্রতিবাদ। ইতিমধ্যেই নিউ সাউথ ওয়েলসের কিশোর-কিশোরীরা আইনের দ্বারস্থ হয়েছে। এদিকে গোটা বিশ্বেই আলোচনা শুরু হয়েছে বিষয়টি নিয়ে। এবার অন্যান্য দেশও এই পথ অবলম্বন করবে, মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন