Korean Love Game

কোরিয়ান ‘লাভ গেমে’র বলি গাজিয়াবাদের তিন বোন! জানেন কী রয়েছে এই খেলায়?

কীভাবে খেলতে হয় এই খেলা? জানা যাচ্ছে, এটি একটি অনলাইন কোরিয়ান গেম। সম্ভবত এখানে অংশগ্রহণকারীদের মোট ৫০টি টাস্ক দেওয়া হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৪:২৯

options
link
কোরিয়ান ‘লাভ গেমে’র বলি গাজিয়াবাদের তিন বোন! জানেন কী রয়েছে এই খেলায়?

আবারও অনলাইন গেমই মৃত্যুফাঁদ! একযুগ আগে আত্মপ্রকাশ করা রাশিয়ার ‘ব্লু হোয়েল’ প্রাণ কেড়েছিল বহু কিশোর-কিশোরীর। এবার গাজিয়াবাদের তিন বোনের আত্মহত্যার ঘটনায় উঠে এল কোরিয়ান ‘লাভ গেম’-এর নাম। টাস্ক শেষের নেশায় মত্ত হয়ে পড়েছিল তিন কিশোরী। যার ইতি টানল মৃত্যু!

Advertisement

কিন্তু জানেন, কি এই ‘লাভ গেম’? কীভাবে খেলতে হয় এই খেলা? জানা যাচ্ছে, এটি একটি অনলাইন কোরিয়ান গেম। সম্ভবত এখানে অংশগ্রহণকারীদের মোট ৫০টি টাস্ক দেওয়া হয়। একটি টাস্ক শেষ করার পর পরেরটির নির্দেশ আসে। তবে যে কোনও মূল্যে তা শেষ করতেই হয় অংশগ্রহণকারীকে। এক্ষেত্রেও ঠিক তাই হয়েছিল। একের পর এক টাস্ক শেষ করে ৫০ নম্বরে পৌঁছেছিল ওই তিন বোন। মনে করা হচ্ছে, ৫০ নম্বর টাস্কই ছিল আত্মহত্যা। সেটি পূরণ করতেই দশতলা থেকে একসঙ্গে ঝাঁপ দেয় তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এটি একটি অনলাইন কোরিয়ান গেম। সম্ভবত এখানে অংশগ্রহণকারীদের মোট ৫০টি টাস্ক দেওয়া হয়। একটি টাস্ক শেষ করার পর পরেরটির নির্দেশ আসে। তবে যে কোনও মূল্যে তা শেষ করতেই হয় অংশগ্রহণকারীদের।

জানা গিয়েছে, কোভিড কালে এই প্রাণঘাতী গেমের প্রতি আসক্তি তৈরি হয় এই তিনজনের। পড়াশোনায় তারা বিশেষ ভালো ছিল না। করোনা পরবর্তীতে স্কুলেও যায়নি তারা। দিনভর মজে থাকত গেমে। বাবা-মায়েরা একাধিকবার তা নিয়ে সতর্ক করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি। সর্বদা মোবাইলেই মুখ গুঁজে থাকত তারা। মৃতদের বাবা জানিয়েছেন সুইসাইড নোটে মেয়েরা লিখেছে, “বাবা, আমরা কোরিয়ান ছাড়তে পারব না। কোরিয়ান আমাদের সবকিছু। তোমরা এর থেকে আমাদের আলাদা করতে পারবে না। আমরা আমাদের জীবন শেষ করে দিচ্ছি।” যদিও তারা ঠিক কোন গেম খেলত না নিয়ে নিশ্চিত নয় পুলিশ। তবে মৃতেরা যে কোরিয়ান কালচারের প্রতি আসক্ত ছিল, তা স্পষ্ট।

Advertisement
প্রতীকী ছবি

গেম যে প্রাণঘাতী হতে পারে, তা আগেও দেখেছে বিশ্ব। কখনও মোমো চ্যালেঞ্জ, কখনও ব্লু হোয়েল, কখনও আবার লেথাল কোম্পানি, শ্যাজো ফাইট ২, জম্বি কিলারের মতো গেম প্রাণ কেড়েছে। কোনও গেমে কিশোর-কিশোরী স্রেফ নির্দেশকে পালন করতে গিয়ে আত্মহননের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কোনও ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে গেম নিয়ে প্রবল মানসিক চাপ থেকে চরম ঘটনা ঘটিয়ে ফেলেছে নেটিজেনরা। তাই পুলিশ-প্রশাসনের পরামর্শ, সন্তানদের এই ধরনের গেম থেকে দূরে রাখতেই হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।   

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.