Google

ইউজারদের গোপনীয়তায় ‘চরবৃত্তি’! বড়সড় জরিমানার মুখে গুগল

মামলায় দাবি ওঠে, ইউজারদের অনুমতি ছাড়া কথোপকথন শোনা বা তথ্য সংরক্ষণ করার অধিকার থাকা উচিত নয় গুগলের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
ইউজারদের গোপনীয়তায় ‘চরবৃত্তি’! বড়সড় জরিমানার মুখে গুগল

বড়সড় অভিযোগ গুগলের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের বিরুদ্ধে! উঠেছে গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ। বলা হচ্ছে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট নাকি বিনা অনুমতিতে ইউজারদের কথায় ‘আড়ি’ পেতেছে। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। অবশেষে এই মামলায় ৬.৮ কোটি ডলার জরিমানা হয়েছে সুন্দর পিচাইদের সংস্থার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫৬০ কোটি টাকা।

Advertisement

আসলে স্মার্টফোনের লোকেশন যদি অন থাকে, তাহলে ইউজারদের সমস্ত গতিবিধি জেনে নিতে পারে গুগল। তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিন কিংবা ইউটিউবে আপনি যা যা সার্চ করেন, সেসব ইতিহাসও সযত্নে নিজের কাছে রেখে দেয় গুগল। এখানেই শেষ নয়, অনেকেই গুগলে ভয়েস সার্চ করেন। সেখান থেকেই জেনে নেওয়া যায় আপনি কী ধরনের অ্যাপে ঢুঁ মারছেন।

Advertisement

মামলায় দাবি করা হয়েছে যে, গুগল ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট এমন কথোপকথন শুনেছে যা তাদের শোনা উচিতই নয়। এবং এই রেকর্ড করা তথ্য বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছিল। ইউজারদের বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না যে, তাঁদের ব্যক্তিগত কথাবার্তা এইভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে! অভিযোগকারীদের দাবি, এটা এক গুরুতর গোপনীয়তা লঙ্ঘন। তাঁদের যুক্তি, ইউজারদের অনুমতি ছাড়া কথোপকথন শোনা বা তথ্য সংরক্ষণ করার অধিকার থাকা উচিত নয়।

Advertisement

এদিকে সমস্ত অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে গুগল। তবে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং মামলার বিপুল ব্যয় এড়াতে আগে ভাগেই মীমাংসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থা। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে অ্যাপলকেও তাদের ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে ৯৫ মিলিয়ন ডলার ‘গাঁটের কড়ি’ খসাতে হয়েছিল। অন্যান্য প্রযুক্তি সংস্থাগুলির মতো গুগলও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে গোপনীয়তা-সম্পর্কিত বিভিন্ন মামলার সম্মুখীন হয়েছে। গত বছরই টেক্সাস প্রদেশের প্রশাসনকে ১.৪ বিলিয়ন ডলার দিতে সম্মত হয়েছিল টেক জায়ান্ট সংস্থা। এক্ষেত্রেও উঠেছিল গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.