সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই শান্তির খোঁজে দুই দেশ, টুইটারে ট্রেন্ডিং #SayNoToWar

'যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই', বলছেন ভারত ও পাকিস্তানের হাজার হাজার মানুষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০১৯, ০০:০৫

options
link
সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই শান্তির খোঁজে দুই দেশ, টুইটারে ট্রেন্ডিং #SayNoToWar

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সীমান্তে টানটান উত্তেজনা। দুই দেশের আকাশপথে বেজে গিয়েছে যুদ্ধের দামামা। ভারতের এয়ারস্ট্রাইক, আর পাকিস্তানের ভারতীয় বায়ুসীমা লঙ্ঘন করে সামরিক অভিযানের চেষ্টা। এ যেন রীতিমতো যুদ্ধের ভ্রুকুটি। উত্তেজনায় ফুটছে দুদেশের সীমান্ত। আতঙ্কে সীমান্ত লাগোয়া নিরীহ সাধারণ মানুষ। এক ইঞ্চি জমিও ছাড়তে নারাজ ভারত কিংবা পাকিস্তান। জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে কেউ বা আপস করতে চায়? তবে, এই উত্তেজনা যে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে দুই দেশকেই, তা হয়তো বুঝতে পারছেন দুই দেশের শান্তিকামী মানুষ। আর সেজন্যই হয়তো টুইটারে টপ ট্রেন্ডিং #SayNoToWar

Advertisement

[এয়ারস্ট্রাইকে রাতের ঘুম উড়েছে ইমরানের, ফের আলোচনার বার্তা পাক প্রধানমন্ত্রীর]

দুই দেশেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত। পুলওয়ামা হামলার পর ভারতীয় বায়ুসেনা প্রত্যাঘাত করেছে। পাকিস্তানের মাটিতে এয়ারস্ট্রাইক নাড়িয়ে দিয়েছে ইমরান প্রশাসনকে। পালটা দিতে পাকিস্তানও নিশানা করার চেষ্টা করেছে ভারতীয় সামরিক বাহিনীকে। সাফল্য পায়নি পাকিস্তান। কিন্তু তাদের এই অপচেষ্টা যুদ্ধের স্ফুলিঙ্গকে আরও উসকে দিয়েছে। যে কোনও সময়, শুরু হয়ে যেতে পারে ধ্বংসের খেলা। কিন্তু, সাধারণ মানুষকে যুদ্ধ চাইছেন। হয়তো না। অন্তত দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের একাংশ দাবি করছে, যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই। আর সে জন্যই হয়তো টুইটারে ট্রেন্ডিংয়ে দুই দেশেই প্রথম তিনের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে #SayNoToWar হ্যাশট্যাগ। এই প্রতিবেদনটি যখন লেখা হচ্ছিল ভারতে #SayNoToWar হ্যাশট্যাগটি ট্রেন্ডিংয়ে ছিল ২ নম্বরে। আর পাকিস্তানে ৩ নম্বরে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই মোটামুটিভাবে দুই দেশেই প্রথম তিনের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে এই হ্যাশট্যাগ। দু’দেশের হাজার হাজার শান্তিকামী মানুষ টুইট করছেন এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফেসবুক খুললেই চলছে বিতর্কের ঝড়, মোকাবিলায় কী বলছেন সেলেবরা?]

পাকিস্তান অবশ্য এই শান্তিরক্ষার উদ্যোগ নিয়ে দ্বিচারিত করছেন। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান মুখে বলছেন যুদ্ধ চাই না। অথচ, তাঁর দেশের সেনাই এদিন ভারতের সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানোর চেষ্টা করল। পাকিস্তানে ঢুকতেই আটকে দেওয়া হল সমঝোতা এক্সপ্রেস। এই দ্বিচারিত বন্ধ না হলে, শান্তি স্থাপন যে সম্ভব নয়, তা হয়তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.