Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Fertility Rate

পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ

সারা বিশ্বের মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কে সন্তানের জন্ম দেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ২২:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২৬, ২২:৫৭

options
link
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ zoom
বঙ্গে কমছে প্রজনন হার, নয়া সমীক্ষায় উদ্বেগ, প্রতীকী ছবি

বাংলা এখন বৃদ্ধাশ্রম! দম্পতিদের মধ্যে সন্তানের জন্ম দেওয়ার প্রবণতা কমছে ক্রমশ। গবেষণার পরিসংখ্যান থেকে বিশ্ব জনসংখ‌্যা দিবসে বিশেষ অনুষ্ঠানে এমনই তথ্য উঠে এল। শুক্রবার এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ হাইজিন অ‌্যান্ড পাবলিক হেলথ। সেখানে বিশেষজ্ঞদের তুলে ধরা তথ্যে বাড়ল উদ্বেগ। সত্তরের দশকেও দেখা যেত, বাঙালির ঘরে ঘরে অন্তত দুই সন্তান। অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ হাইজিন অ‌্যান্ড পাবলিক হেলথ-এর ডিন ডা. দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, কী গ্রাম, কী শহর – বঙ্গে এখন একের বেশি সন্তান নেন না কেউই। জেন ওয়াই প্রজন্মের সিংহভাগ এক সন্তানেরও জন্ম দিচ্ছে না!

ন‌্যাশনাল ফ‌্যামিলি হেলথের সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের গ্রামীণ এলাকায় ফার্টিলিটি রেট বা প্রজনন হার ২.১ শতাংশ, সেখানে বঙ্গের গ্রামীণ এলাকায় এই হার মেরেকেটে ১.৭। অর্থাৎ দেশের গ্রামীণ এলাকায় একজন মহিলা দু’টি সন্তান নিলেও বঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা কমছে। এর নেপথ্যে মূল কারণ কী? ডা. দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, ‘‘সন্তান না নেওয়ার মূলে আর্থিক নিরপত্তাহীনতা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৮৮ শতাংশ দম্পতি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাবেই অভিভাবকত্বের পথে এগোচ্ছেন না।’’

এসব কারণে দেশের গড় ফার্টিলিটি রেটের তুলনায় অনেকটাই নিচে পশ্চিমবঙ্গ। ন‌্যাশনাল ফ‌্যামিলি হেলথের সমীক্ষা অনুযায়ী, দেশের গ্রামীণ এলাকায় ফার্টিলিটি রেট বা প্রজনন হার ২.১ শতাংশ, সেখানে বঙ্গের গ্রামীণ এলাকায় এই হার মেরেকেটে ১.৭। অর্থাৎ দেশের গ্রামীণ এলাকায় একজন মহিলা দু’টি সন্তান নিলেও বঙ্গে নতুন প্রজন্মের মধ্যে সন্তান নেওয়ার প্রবণতা কমছে। এর নেপথ্যে মূল কারণ কী? ডা. দেবাশিস দত্ত জানিয়েছেন, ‘‘সন্তান না নেওয়ার মূলে আর্থিক নিরপত্তাহীনতা। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ৮৮ শতাংশ দম্পতি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার অভাবেই অভিভাবকত্বের পথে এগোচ্ছেন না।’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুধু বঙ্গে নয়, গোটা ইউরোপ-আমেরিকা জুড়েই কমছে ফার্টিলিটি লেট বা প্রজনন হার। সারা বিশ্বের মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কে সন্তানের জন্ম দেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম। সেখানে ফার্টিলিটি রেট ১.৩ শতাংশ।

তবে শুধু বঙ্গে নয়, গোটা ইউরোপ-আমেরিকা জুড়েই কমছে ফার্টিলিটি লেট বা প্রজনন হার। সারা বিশ্বের মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্কে সন্তানের জন্ম দেওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে কম। সেখানে ফার্টিলিটি রেট ১.৩ শতাংশ। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ‌্যালয়ের সোশিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ‌্যাপক সুহৃতা সাহার কথায়, ‘‘বঙ্গে প্রবীণ জনংসখ‌্যা বৃদ্ধির নেপথ্যে এ রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাবও দায়ী। উচ্চমাধ‌্যমিক পাশ করার পর মধ‌্যবিত্ত-উচ্চমধ‌্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরা আর পশ্চিমবঙ্গে থাকছে না। গত ১৫ বছর ধরে এই প্রবণতা আরও বেড়েছে। বাঙালিয়ানা নিয়ে বাঙালি গর্ব করে ঠিকই। কিন্তু তা এখন স্রেফ নিছক নস্ট্যালজিয়া ছাড়া কিছু নয়। আমার সন্তান বিদেশে চাকরি করছে – একথা বলতে মা,বাবারাও গর্ব বোধ করেন।’’

এছাড়াও বঙ্গের নবদম্পতিরা মা-বাবা না হওয়ার নেপথ্যে কাজ করছে একাধিক কারণ। রাশিতত্ত্ব বিভাগের ডিরেক্টর এসকে ভানওয়াতেএর কথায়, ‘‘সন্তান মানুষ করার ক্রম বর্ধমান খরচই এখন বহু দম্পতির কাছে মাতৃত্ব-পিতৃত্বকে ভয়ের সিদ্ধান্তে পরিণত করেছে।’’ শুক্রবার অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অফ হাইজিন অ‌্যান্ড পাবলিক হেলথের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এআইআইএইচ এর ডিরেক্টর ডা. মানস কুমার কুন্ডু, ইন্সটিটিউট অফ ডেভলপমেন্ট স্টাডিজের অ‌্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. শাশ্বত ঘোষ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.