সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে স্যামসংয়ের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন। যার লুক ও ফিচার নজর কেড়েছে টেকস্যাভিদের। যদিও তার নাম বা দাম এখনও কোনওটাই জানায়নি কোম্পানি। তবে তারই মধ্যে আরও একটি আকর্ষণীয় মডেল সামনে আনল স্যামসং।
তখনও এ দেশে স্মার্টফোন খুব বেশি জনপ্রিয় হয়নি। সেই সময় অনেকেই স্যামসংয়ের ফ্লিপ ফোন ব্যবহার করতেন। বেশ কয়েকটি মডেল বেশ জনপ্রিয়ও হয়েছিল। সেই নস্ট্যালজিয়াই ফেরাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্থা। প্রকাশ্যে এল W2019 ফ্লিপ ফোন। গত বছর বাজারে এসেছিল W2018। তারই আপগ্রেডেড ভার্সান এই স্মার্টফোন। চলুন জেনে নেওয়া যাক এই নয়া মডেলের আকর্ষণীয় ফিচারগুলি কী কী।
[জানেন, হোয়াটসঅ্যাপে কীভাবে নিজের ছবিকেই স্টিকারে পরিণত করবেন?]
১. ডায়মন্ড কাট ফিনিশের এই হ্যান্ডসেটটি ১৭.৩ এমএম পুরু। ওজন ২৫৭ গ্রাম।
২. ৪.২ ইঞ্চির আলমন্ড ডিসপ্লের ফোনটিতে রয়েছে ফুল এইচডি রেজোলিউশন।
৩. অ্যান্ড্রয়েড ৮.১ ওরিও অপারেটিং সিস্টেমের ফ্লিপ ফোন কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮৪৫ প্রসেসর যুক্ত।
৪. রয়েছে ৬ জিবি ব়্যাম। এ থেকেই ধারণা করা যায় ফোনটিতে যে কোনও অ্যাপ কত দ্রুত কাজ করবে।
৫. ১২৮ জিবি এবং ২৫৬ জিবি, দুরকম মেমোরির ফোনই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
৬. ফোনটিতে রয়েছে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরা। দুটিই ১২ মেগাপিক্সলের। আর সেলফির জন্য রয়েছে ৮ এমপি ফ্রন্ট ক্যামেরা।
৭. ৩০৭০ এমএএইচ ব্যাটারি-যুক্ত ফোনটিকে ব্লুটুথ, জিপিএস, ওয়াই-ফাইয়ের মতো সাধারণ ফিচারগুলি তো রয়েইছে।
৮. সাইড বাটনে থাকছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সরও।
৯. রুপোলি ও সোনালি দুটি রঙে মিলবে এই মডেল।
[দিওয়ালিতে ১০ লক্ষেরও বেশি বিক্রি হয়েছে এই কোম্পানির স্মার্টফোন]
হ্যান্ডসেটটির দাম সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও এর মূল্য আনুমানিক ১,৪৩৯ ডলার। তবে ফিচারগুলি মনে ধরলেও ভারতীয় ক্রেতাদের হাত-পা বাঁধা। কারণ এই মডেল দক্ষিণ কোরিয়ার কয়েকটি মার্কেট ছাড়া আপাতত শুধু চিনের বাজারেই পাওয়া যাচ্ছে। অর্থাৎ কিনতে চাইলেও এখন উপায় নেই।
সর্বশেষ খবর
-
আত্মনির্ভরতায় জোর, জলে ভাসল গার্ডেনরিচে তৈরি ‘শ্রুতি’, কতটা শক্তিশালী নৌবাহিনীর এই জাহাজ?
-
গুটিকয়েক কর্মীর বেতন দিতেই মাসিক ৫১ লক্ষ! সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল কালীঘাট তৃণমূলের খরচের বহর
-
শ্রীলঙ্কাতেও তাড়া করছে অস্ট্রেলিয়ার জুজু! টেস্টের আগে বিশেষ আবদার গম্ভীরদের, সুযোগ পাবেন নবি?
-
৯৬ ঘণ্টা পার, এখনও বাংলাদেশে আটকে জলপাইগুড়ির চাষি, দীপঙ্করের পরিবারে বাড়ছে উদ্বেগ
-
রক্তের জোগান, খরচ ও ব্যবহারের স্বচ্ছতা, একটি সামাজিক দায়