Botanical Garden

কিউআর স্ক্যানে ফোনে ভেসে উঠবে গাছের তথ্য! প্রযুক্তির ব্যবহার বোটানিক্যাল গার্ডেনে

ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার গাছের সামনে কিউআর বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৮, ২০২৫, ১৮:১৪

options
link
কিউআর স্ক্যানে ফোনে ভেসে উঠবে গাছের তথ্য! প্রযুক্তির ব্যবহার বোটানিক্যাল গার্ডেনে

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: বোটানিক্যাল গার্ডেনে প্রত্যেকটি গাছে বসছে কিউআর কোড। সেই কোড স্ক্যান করলেই মোবাইলের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে গাছগুলির সমস্ত তথ্য। নির্দিষ্ট গাছটি কোন প্রজাতির, নাম কী, কোনও ভেষজ গুণাবলি রয়েছে কি না, থাকলে কী কী, সবই দেখা যাবে এক ক্লিকেই। ইতিমধ্যেই প্রায় পাঁচ হাজার গাছের সামনে কিউআর কোড বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

১৭৮৭ সালে হুগলি নদীর তীরে ৩১৩ একর জমিতে গড়ে ওঠে হাওড়ার বোটানিক্যাল গার্ডেন। বর্তমানে গ্রেট বেনিয়াট ট্রি ছাড়াও আকর্ষণীয় বৃহৎ পদ্ম, জোড়া নারকেল, কল্প বৃক্ষ, সাদা ও লাল চন্দন-সহ ভেষজ উদ্ভিদ রয়েছে প্রচুর। উদ্যানে আসা দর্শনার্থী থেকে গবেষক সকলের পক্ষে সব গাছের সম্পর্কে জানা সম্ভব নয়। ছাত্রছাত্রীরা অনেকেই কিছু গাছ প্রথমবার দেখেন। সম্পূর্ণ তথ্যও অনেক সময় পাওয়া যায় না। সেই সমস্যা কাটাতেই এই নয়া উদ্যোগ কর্তৃপক্ষের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এখানকার অধিকর্তা ডঃ দেবেন্দর সিং বলেন, “ইতিমধ্যেই পাঁচ হাজার গাছ লেভেলিং করে কিউ আর কোড দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আগামী মার্চের মধ্যে সমস্ত গাছে কিউআর কোড বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই জন্য মেশিনও কিনেছে কর্তৃপক্ষ।”

Advertisement

উদ্যানে গিয়ে দেখা গেল ছাত্রছাত্রীরা স্ক্যান করে গাছের তথ্য জানার চেষ্টা করছেন। রাজন্যা দাস নামে এক ছাত্রী জানান, “খুবই ভালো লাগছে গাছের নাম ও তথ্য পেয়ে। পড়াশোনার কাজে সাহায্য করবে।” এক ছাত্র সোহম হাওলাদারের কথায়, “কিউআর স্ক্যান করলেই গাছের সমস্ত তথ্য দেখা যাবে। অনেক গবেষক ও আমাদের মতো ছাত্রছাত্রীদের অনেক সাহায্য হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.