সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রযুক্তির দুনিয়ায় বড় লাফ নয়াদিল্লির। চণ্ডীগড়ের সেমি কন্ডাক্টর গবেষণাগারের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইসরো তৈরি করেছে দেশের প্রথম ৩২-বিট মাইক্রোপ্রসেসর। যার নাম ‘বিক্রম ৩২০১’। এর আগে তারা তৈরি করেছিল বিক্রম ১৬০১। ১৬ বিটের ওই মাইক্রোপ্রসেসর চিপ ২০০৯ সাল থেকে রকেটে ব্যবহার করা হয়। নতুন চিপ অনেক বেশি শক্তিশালী। মঙ্গলবার সেমিকোন ইন্ডিয়া সম্মেলনে আত্মপ্রকাশ করল ‘বিক্রম’।
কী এই মাইক্রোপ্রসেসর? সহজ ভাষায় বললে একে কম্পিউটারের ‘মস্তিষ্ক’ বলা যায়। একেক সেকেন্ডে লক্ষ লক্ষ গণনা করে ফেলতে পারে এই চিপ। আগের প্রসেসরের শক্তি এতটা ছিল না। কিন্তু বিক্রম কার্যতই কাজ করবে বিদ্যুদ্বগতিতে। তবে বিক্রমের বিশেষত্ব কেবলই এর গতিতে সীমাবদ্ধ নেই মোটেই। চূড়ান্ত প্রতিকূল আবহাওয়াতেও দিব্যি কর্মক্ষম থাকতে পারে বিক্রম। মহাকাশে তীব্র শৈত্য, গরম, বিকিরণ ইত্যাদি থাকে। সেই সব অনায়াসে সামলে নিতে পারে নয়া এই চিপ। ১২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হোক কিংবা মাইনাস ৫৫ ডিগ্রি, বিক্রম একেবারে নিখুঁত কাজ করতে পারে।
এদিকে এই প্রসেসরটি কেবল যে গণনা করে তা নয়। বরং রকেটের বিভিন্ন অংশকে সংযুক্তও রাখে। উড়ানের সময়, ইঞ্জিন, সেন্সর এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলিকে একে অপরের সঙ্গে ক্রমাগত তথ্য বিনিময় করতে হয়। বিক্রম থাকতে মিশনে এই সংক্রান্ত কোনও ত্রুটি ঘটবে না। এটি PSLV-C60 মিশনেও পরীক্ষা করা হয়েছে। বিক্রম ৩২০১ দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে সেখানেও।
প্রসঙ্গত, এখন এটা রকেট এবং উপগ্রহে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে প্রতিরক্ষা খাতেও তা ব্যবহৃত হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি বারবার ‘আত্মনির্ভর’ ভারতের কথা বলেন। বিক্রমের এই নয়া সংস্করণ যে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার নয়া নিদর্শন হয়ে উঠবে তাতে নিশ্চিত ওয়াকিবহাল মহল।
সর্বশেষ খবর
-
জীবিকা হারানো হকারদের এককাট্টা করে আন্দোলনের প্রস্তুতি ‘কালীঘাট তৃণমূলের’, ফের পথে মমতা!
-
প্রতীক কার! ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ ‘কালীঘাট তৃণমূলের’
-
গেরুয়া উত্তরীয় বনাম বোরখা, পোশাক নিয়ে বারাসত কলেজে সম্মুখ সমরে এবিভিপি-বজরং দল!
-
‘ভারতবিদ্বেষে’র হাওয়ায় প্রথম চিন সফর! কী বললেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক?
-
‘যে ইন্ডাস্ট্রিকে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা দিয়েছে…’, রণবীরকে কোণঠাসা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সুনীল