Vikram Solar

হরমুজ সংকটে ত্রাতা সূর্যদেবতা! ৫০ লক্ষ বাড়িতে ‘অরুণোদয়’ নতুন ভারতে

হুরমুজ প্রণালী নিয়ে টানাপড়েনে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। তেলের জোগান কমায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও টান ধরছে ঘরে ঘরে। এমন ঘোরতর সংকটের আবহে বিকল্প আলোর দিশা দেখাচ্ছে সৌরশক্তি। আর সেই লড়াইয়ে বিশ্বমঞ্চে ভারতের জয়পতাকা ওড়াল কলকাতার সংস্থা ‘বিক্রম সোলার’।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১৭:৩৩

options
link
হরমুজ সংকটে ত্রাতা সূর্যদেবতা! ৫০ লক্ষ বাড়িতে ‘অরুণোদয়’ নতুন ভারতে

হুরমুজ প্রণালী নিয়ে টানাপড়েনে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কালো মেঘ ঘনিয়েছে। তেলের জোগান কমায় বিদ্যুৎ উৎপাদনেও টান ধরছে ঘরে ঘরে। এমন ঘোরতর সংকটের আবহে বিকল্প আলোর দিশা দেখাচ্ছে সৌরশক্তি। আর সেই লড়াইয়ে বিশ্বমঞ্চে ভারতের জয়পতাকা ওড়াল কলকাতার সংস্থা ‘বিক্রম সোলার’।

Advertisement
ফাইল ছবি

বিশ্বজুড়ে সৌর মডিউল স্থাপনের নিরিখে ১০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করল এই সংস্থা। সহজ কথায়, এই পরিমাণ বিদ্যুৎ ভারতের প্রায় ৫০ লক্ষ বাড়িতে নিরবচ্ছিন্ন আলোর জোগান দিতে সক্ষম। গত দুই দশকে ধাপে ধাপে এগোলেও, শেষ দু’বছরে অভাবনীয় গতিতে দৌড়েছে বিক্রম সোলার। মাত্র ২৪ মাসের ব্যবধানে ৫ গিগাওয়াট থেকে নিজেদের উৎপাদন ক্ষমতা দ্বিগুণ করে ১০ গিগাওয়াটে নিয়ে গিয়েছে তারা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বর্তমানে ভারতের সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১৫০ গিগাওয়াট ছাড়িয়েছে। সেই মহাযজ্ঞে অন্যতম প্রধান কারিগর হিসেবে উঠে এসেছে এই সংস্থা। তবে সাফল্য শুধু দেশের গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ নেই। আমেরিকা থেকে ইউরোপ— বিশ্বের ৩৯টি দেশে নিজেদের মডিউল রপ্তানি করছে তারা। বিদেশের বাজারে ১.৫ গিগাওয়াট সক্ষমতার মডিউল পাঠিয়ে সংস্থাটি এখন বিশ্বের প্রথম সারির সৌর প্যানেল উৎপাদকদের তালিকায়।

Advertisement
ফাইল ছবি

উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও বিক্রম সোলার নজির গড়েছে। কোচি বিমানবন্দরকে বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ সৌরচালিত বিমানবন্দরে রূপান্তর করা বা দেশের প্রথম ভাসমান সৌর প্রকল্প— সবেতেই ছিল এদের ছোঁয়া। পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু মিলিয়ে বর্তমানে এদের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৯.৫ গিগাওয়াট। তামিলনাড়ুর ভাল্লামে গড়ে তোলা অত্যাধুনিক অটোমেশন প্ল্যান্টটি সৌর শিল্পের ভোল বদলে দিচ্ছে। সংস্থার লক্ষ্য আরও বড়। ২০২৭ সালের মধ্যে তারা ৫ গিগাওয়াট-আওয়ার ক্ষমতার এনার্জি স্টোরেজ বা বিদ্যুৎ সঞ্চয় কেন্দ্র গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে।

সংস্থার কর্ণধার জ্ঞানেশ চৌধুরী জানিয়েছেন, এই সাফল্য কেবল একটি সংখ্যার লড়াই নয়, বরং বিশ্বব্যাপী দূষণমুক্ত জ্বালানি বিপ্লবের প্রতিফলন। উৎপাদন ক্ষমতা বাড়িয়ে আগামী দিনে আরও উন্নত প্রযুক্তির ব্যাটারি ও মডিউল তৈরির ওপর জোর দিচ্ছে সংস্থা। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের অনিশ্চয়তার দিনে বিক্রম সোলারের এই উত্থান ভারতের স্বনির্ভরতার স্বপ্নে নতুন অক্সিজেন জোগাল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন