সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সূচনা হয়েছিল ২০০৮ সালে। প্রতিবার একটি করে স্লোগান দেওয়া হয়। এবারের স্লোগান, ‘Join the Sleep World, Preserve Your Rhythms to Enjoy Life.’। হ্যাঁ, ‘ঘুমের দুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত হোন, নিজের জীবনের ছন্দ সঞ্চয় করুন।’ এই মন্ত্রেই শুক্রবার গোটা দুনিয়া মজেছে ‘ওয়ার্ল্ড স্লিপ ডে’-তে।
ঘুম। ছোট্ট এই শব্দেই লুকিয়ে জীবনের শক্তি। ছেঁড়া কাঁথায় শুয়েই নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারে মানুষ। আবার এমন মানুষও রয়েছেন, লক্ষ টাকার গদিতে শুয়েও একটু ঘুমের জন্য ছটফট করেন। টাকা খরচ করে ডাক্তার দেখিয়ে ঘুমের ওষুধ খান। কিন্তু প্রাকৃতিক উপায়ে ঘুমের সঙ্গে কৃত্রিম ওষুধের ঘুমের তুলনা কি চলে? তাহলে কী করবেন? অনেক বিচার-বিশ্লেষণ করে তিনটি উপায়ের সন্ধান দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
[নখের পাশের চামড়া ছেঁড়ার অভ্যাস আছে? বিপদ ডেকে আনবেন না]
১) বিছানায় শোওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে যদি আপনার ঘুম না আসে তাহলে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ুন। কোনও কারণে মানসিক অশান্তিতে ভুগছেন আপনি। সে কারণেই ঘুম আসছে না। আজকালকার ব্যস্ত জীবনে এই সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। এর থেকে মুক্তি পেতে গেলে ঘরের মধ্যেই একটু হাঁটুন। প্রয়োজনে রান্নাঘরে গিয়ে নিজের জন্য একটু চা কিংবা অন্য পানীয় তৈরি করুন। হালকা এক্সারসাইজও করতে পারেন। মন শান্ত হলে তবেই ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

২) ঘুমোলে আপনার শরীরের বিশ্রাম হয়। কিন্তু এই ঘুম আসার জন্য মনের শান্ত হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর জন্য ধ্যান কিংবা যোগের সাহায্য নিতে পারেন। নেটদুনিয়ায় ধ্যান ও যোগাভ্যাসের অনেক উপায় রয়েছে। চাইলে দেখে নিতে পারেন।

৩) নেট নির্ভর জীবনে মোবাইল-ল্যাপটপের নেশা সাংঘাতিক। অনেকে বিছানায় শুয়েও মোবাইল কিংবা ল্যাপটপে মজে থাকেন। এটাও অনিদ্রার একটা বড় কারণ। শোয়ার সময় ল্যাপটপ দূরে রাখুন। মোবাইলের নেট অফ করে দিন পারলে মোবাইলটাই সুইচ অফ করে রাখুন। ১০ মিনিট ভাল কিছু চিন্তা করুন। চোখ আপনা থেকেই জুড়িয়ে আসবে।

[মোবাইলের বিকিরণ বিষের থাবায় শিশুরা, আড়ালে ব্রেন ক্যানসারের বীজ]
সর্বশেষ খবর
-
‘রাজনৈতিক দলের উসকানি থেকে দূরে থাকা উচিত’, যাদবপুর কাণ্ডে মুখ খুললেন রাসবিহারীর বিধায়ক
-
চিনি সংকটে ভারতীয় বাজারে নজর পাকিস্তানের! শাহবাজ সরকারের কাছে আর্জি ব্যবসায়ীদের
-
‘আপনিই আমার প্রথম ক্রাশ’, সুনিধির মনের কথা শুনে আপসোস অমিতাভের!
-
কুলদীপের ‘রোগ’ ধরে ফেলেছেন ভারতের কোচ, ব্যর্থ হয়েও পরের টেস্টে খেলবেন?
-
‘কল্যাণমূলক নীতি’র পূর্বশর্ত ‘সক্ষমতা’, ‘ন্যূনতম মজুরি আইন’ চালুর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছিলেন নেহরু