লকডাউনের পর পর্যটকদের জন্য খুলল মাইথন

আনলক ওয়ানে ঘুরতে পাওয়ার প্ল্যান? বর্ষায় আপনাকে স্বাগত জানাতে নতুন রূপে সেজেছে মাইথন

করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এই পর্যটন কেন্দ্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৮, ২০২০, ২০:৫৬

options
link
আনলক ওয়ানে ঘুরতে পাওয়ার প্ল্যান? বর্ষায় আপনাকে স্বাগত জানাতে নতুন রূপে সেজেছে মাইথন

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: ভরা বসন্তে যেন সন্ন্যাস নিয়েছিল এ রাজ্যের জনপ্রিয় পর্যটন স্থল মাইথন। নেপথ্যে দীর্ঘ লকডাউন। আগুন রাঙা পলাশ আর শিমূলের সাজে এবার আর মাইথন দেখা হয়নি পর্যটকদের। প্রকৃতির অপরূপ থেকে এবারের মত বঞ্চিত পর্যটকরা। কারণ করোনা আতঙ্ক।

Advertisement

তবে সেই শূন্য দিন বিগত। আসছে বর্ষা আর শরতের হাতছানি। বিষাদ কী কাটবে নীলদগন্ত জলরাশির? সঙ্গীহীন সবুজ পাহাড় ভরে উঠবে কলরবে? ‘আনলক ওয়ান’ পর্বে সেই আশাতেই বুক বাঁধছিলেন ব্যবসায়ীরা। সোমবার, ‘আনলক ওয়ান’এর দ্বিতীয় ধাপে খুলল পর্যটনকেন্দ্র মাইথন। কল্যানেশ্বরী মন্দিরের দরজা খুলতেই জীবন কল্যাণের প্রার্থনায় পুজো দিলেন ব্যবসায়ীরাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পর্যটকদের স্বাগত জানাতে তৈরি মন্দারমণি, এখনই খুলছে না দিঘার হোটেল]

বছরে আট মাস লেগেই থাকে ভিড়। ঘরের কাছে আরশিনগর মাইথন। প্রাকৃতিক সরোবর-জঙ্গলের রহস্য, সবুজ পাহাড়ের গাম্ভীর্য। প্রকৃতির ডালা সাজানো থরে থরে। ফেব্রুয়ারি-মার্চ বসন্তের পসরা – পলাশ আর শিমুলের ঢল, দোল উত্সব। এপ্রিল থেকে জুন, গরমের ছুটিতে বেড়ানো। অক্টোবরে পুজোর ছুটিতে পর্যটকের ঢল। নভেম্বর থেকে জানুয়ারিতে পিকনিক, শীতকালীন ছুটি।

Advertisement

Mython-clean

কিন্তু এবছর লকডাউনে মাইথনের পর্যটন চিত্র বদলেছে অনেকটাই। দোকান খোলা, ক্রেতা নেই। সার সার নৌকা দাঁড়িয়ে ঘাটে। নৌকা, স্পিডবোট, সাইকেল বোট। সওয়ারি নেই। কর্মহীন একশো মাঝিমাল্লা। খাঁ খাঁ করছে গোটা ৫০ হোটেল। এখন বর্ষা আর পুজোর মরশুমের দিকে চোখ সকলের।

[আরও পড়ুন: ৮ জুন থেকে খুলছে রাজ্যের পাঁচটি পর্যটন কেন্দ্র, জেনে নিন কী কী?]

স্থানীয়দের দাবি, পুরোপুরি লকডাউনে থাকার ফলে মাইথনের মাটিতে অনেকদিন মানুষের পা পড়েনি। সবুজে দাগ পড়েনি দৌরাত্ম্যের। ফলে রূপ খুলেছে মাইথনের। সৌন্দর্যের মাঝে এই ভয়ঙ্কর রূপটিও দেখতে পাচ্ছেন না প্রকৃতিপ্রেমীরা। সকলে আশা করে আছেন, কবে শোনা যাবে মাইথনের জলে ছলাৎছল দাঁড় বাওয়ার শব্দ। কবে কোলাহল মুখর হবে মাইথন। সেই প্রস্তুতিই সোমবার থেকে শুরু করে দিল মাইথনের হোটেলগুলি। পিপিই পরে সাফাইকর্মীরা গোটা হোটেল জীবাণুমুক্ত করার কাজ শুরু করলেন। ফেরিঘাট থেকে বাঁধনমুক্ত হল নৌকাগুলো। জলপথে দাঁড় বেয়ে মাঝি নিজেই চললেন কিছুটা দূর। এখন শুধু পর্যটক আনাগোনার অপেক্ষা। তাহলেই ফের আপন ছন্দে ফিরতে পারবেন মাইথন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.