সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বপ্ন অনেকেই দেখেন। তবে তা বাস্তব করার তাগিদ সবার থাকে না। যাঁদের থাকে, তাঁরা বাস্তবকে কল্পনার থেকেও সুন্দর করে তুলতে পারেন। এমনই একজন শিলিগুড়ির মিন্টু রায়। কী করেছেন তিনি? নিজের পরিবারের জন্য টাইটানিকের আদলে আস্ত একটি বাড়ি তৈরি করে ফেলেছেন।

১৯৯৭ সালে মুক্তি পেয়েছিল জেমস ক্যামেরনের ‘টাইটানিক’ সিনেমা। গত ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহে তা আবার তা 3D এফেক্টে দেখা গিয়েছে। মুগ্ধ হয়ে বিশাল জাহাজ ও রোজ-জ্যাকের প্রেমের কাহিনি দেখেছেন দর্শকরা। শিলিগুড়ির এই টাইটানিক বাড়িও স্থানীয় মানুষদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন।
[আরও পড়ুন: ‘প্লিজ বাবা আবার জন্ম নিও না…’, কাতর অনুরোধ সতীশ কৌশিকের ১০ বছরের মেয়ের]
তিনতলার এই টাইটানিক বাড়ি প্রায় সাড়ে চারশো স্ক্যোয়্যার ফুট জায়গা জুড়ে তৈরি। তাতে যেন ছোট ছোট জানলা আছে, তেমনই রয়েছে চিমনি। বাড়ি তৈরি করতে নাকি মিন্টুর এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। এখনও বাড়ির কাঠের কাজ বাকি।

একটা সময় মিন্টুর বউবাজারে অনেকটা সময় কেটেছে। কলকাতার দুর্গা পুজো তাঁর অত্যন্ত প্রিয়। দেখতেন কীভাবে পুজো শেষ হয়ে যাওয়ার পরও মানুষ থিমের প্যান্ডেল দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন। সেই থেকেই টাইটানিক থিমে বাড়ি করার স্বপ্ন মিন্টুর।
স্বামীর এই স্বপ্নে সাহস জুগিয়েছেন ইতি রায়। প্রথমে ইঞ্জিনিয়ারদের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মিন্টু। কিন্তু যা বাজেট দেওয়া হয়েছিল তা মিন্টুর সাধ্যের বাইরে। এরপর নেপাল চলে যান মিন্টু। সেখানে তিন বছর রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। পরে শিলিগুড়িতে ফিরে আসেন, আর তৈরি করেন এই স্বপ্নের টাইটানিক বাড়ি।

[আরও পড়ুন: ‘মোটাকে মোটা বোলো না!’ বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে সরব আবির-ঋতাভরী, প্রকাশ্যে ‘ফাটাফাটি’ ট্রেলার]
সর্বশেষ খবর
-
হাসনাবাদে হাড়হিম ঘটনা! বাড়ির পাশের পুকুর ভাসছে দু’মাসের শিশু, খুনের অভিযোগ সন্তানহারা মায়ের
-
সপ্তাহের শুরুতেই পার্ক স্ট্রিটের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পুলকার, আহত ৩ পড়ুয়া, আটক ২ গাড়ির চালক
-
কুড়মালি ও সাঁওতালি ভাষায় গীতার অনুবাদ, আরও এক জরুরি কাজ অভিমন্যুর
-
তিন দশকের সুর-সফর, দেবজ্যোতিকে সম্মানিত করল শ্যাম সুন্দর কোং জুয়েলার্স
-
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলায় ৬৬ টন ত্রাণ পাঠাল ভারত, তৈরি অস্থায়ী হাসপাতাল