Travel Tips

ঘুরতে গিয়ে থেকে থেকেই ঘ্যান ঘ্যান করছে খুদে? ঝক্কি সামলাতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

সপরিবারে সফর যতটা উত্তেজনাপূর্ণ, ঠিক ততটাই আনন্দের। তবে, প্রথমবার কোনও খুদেকে সঙ্গে নিলে আগেভাগে কিছু জরুরি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। কারণ, দূর ভ্রমণে যে ধৈর্যের দরকার, সেটুকু বাড়ির ছোট সদস্যদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এই সমস্যা এড়াতে এবং সফর আনন্দদায়ক করতে কিছু কৌশল মেনে চলা একান্ত জরুরি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৬, ২১:০৩

options
link
ঘুরতে গিয়ে থেকে থেকেই ঘ্যান ঘ্যান করছে খুদে? ঝক্কি সামলাতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি
খুদেকে নিয়ে সফর আনন্দদায়ক করে তুলবেন কোন কৌশলে? ছবি: সংগৃহীত

সারা বছর কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয় না? অবশেষে সময় মিলেছে! ভ্রমণে যাওয়ার তোড়জোড় চলছে। দীর্ঘদিন পর সপরিবারে সফর যতটা উত্তেজনাপূর্ণ, ঠিক ততটাই আনন্দের। তবে, প্রথমবার কোনও খুদেকে সঙ্গে নিলে আগেভাগে কিছু জরুরি বিষয় মাথায় রাখা দরকার। কারণ, দূর ভ্রমণে যে ধৈর্যের দরকার, সেটুকু বাড়ির ছোট সদস্যদের মধ্যে খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেক সময় সফরের আনন্দ মাটি হয়ে যায় খুদের কান্নাকাটি বা জেদে। দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে থাকতে খুদেরা পছন্দ করে না। ফলে শুরু হয় চূড়ান্ত বিরক্তি। এই সমস্যা এড়াতে এবং সফর আনন্দদায়ক করতে কিছু কৌশল মেনে চলা একান্ত জরুরি।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

প্রস্তুতি হোক আগেভাগে
ভ্রমণ শুরুর কয়েক দিন আগে থেকেই শিশুকে মানসিক ভাবে প্রস্তুত করুন। আমরা কোথায় যাচ্ছি, সেখানে গিয়ে কী কী দেখব— তা নিয়ে খুদের সঙ্গে গল্প করুন। এতে তার মধ্যে আগ্রহ তৈরি হবে। সঙ্গে রাখুন একটি ‘সারপ্রাইজ ব্যাগ’। সেখানে বাচ্চার প্রিয় খেলনা, রঙের খাতা বা গল্পের বই লুকিয়ে রাখুন। যখনই সে বিরক্ত হবে, তখন ব্যাগ থেকে একটি নতুন জিনিস বের করে দিন। নিমেষে খুদের মন ভালো হয়ে যাবে।

Advertisement

খিদে সামলানো জরুরি
সফরে বাচ্চার মেজাজ বিগড়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হল খিদে। তাই হাতের কাছে সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার রাখুন। ড্রাই ফ্রুটস, ফল, স্যান্ডউইচ বা মখানার মতো হালকা খাবার ব্যাগে ভরে নিন। পেট ভরা থাকলে শিশুরা সাধারণত শান্ত থাকে। বাইরের ভাজাভুজি বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো।

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্রাম ও বিরতি
টানা গাড়িতে বসে থাকা বড়দের কাছেও ক্লান্তিকর। শিশুদের জন্য তা আরও কঠিন। গাড়ি বা বাসে গেলে প্রতি দু-তিন ঘণ্টা অন্তর ছোট বিরতি নিন। শিশুকে একটু খোলা হাওয়ায় দৌড়ঝাঁপ করতে দিন। এতে তার শরীরের জমে থাকা শক্তি খরচ হবে। ক্লান্ত হয়ে সে গাড়িতে ফিরে ঘুমিয়েও পড়তে পারে।

রুটিন মেনে চলুন
বাড়িতে শিশু যে সময়ে খায় বা ঘুমায়, সফরেও সেই সময়টি বজায় রাখার চেষ্টা করুন। রুটিন বদলে গেলে খুদেরা খিটখিটে হয়ে পড়ে। তাদের আরামদায়ক সুতির পোশাক পরান। সঙ্গে প্রিয় বালিশ বা কম্বল রাখুন। এতে অচেনা জায়গায় তার মধ্যে নিরাপত্তা বোধ তৈরি হবে।

ধৈর্য হারাবেন না
সব শেষে প্রয়োজন বাবা-মায়ের ধৈর্য। শিশু কান্নাকাটি করলে তার ওপর চিৎকার করবেন না। তাকে জড়িয়ে ধরুন। শান্ত ভাবে কথা বলে তার সমস্যা বোঝার চেষ্টা করুন। আপনি শান্ত থাকলে শিশুও দ্রুত ধাতস্থ হবে। এই ছোট ছোট টিপস মানলে আপনার আগামী সফর হবে ঝঞ্ঝাটহীন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.