Seizure In Pool

পুলে স্নানে নেমে জ্ঞান হারাল মা, ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচাল ১০ বছরের ছেলে, ভাইরাল ভিডিও

দশ বছরের গেভিনের সাহসিকতায় মুগ্ধ নেটিজেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০২২, ২১:৪৩

options
link
পুলে স্নানে নেমে জ্ঞান হারাল মা, ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচাল ১০ বছরের ছেলে, ভাইরাল ভিডিও

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলে স্নান করতে নেমেছিলেন তরুণী। সেই সময় খিঁচুনিতে আক্রান্ত হয়ে জ্ঞান হারান। ডুবে মৃত্যু হতে পারত। কিন্তু দুর্ঘটনা ঘটতে দিল না তরুণীর ১০ বছরের ছেলে। দেখা মাত্র জলে ঝাঁপিয়ে পড়ে মাকে বাঁচাল সে। সম্প্রতি এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media)। পুঁচকে ছেলের বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতাকে কুর্নিশ জানাচ্ছে নেটদুনিয়া।

Advertisement

সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম লোরি কিনি। তিনি আমেরিকার (USA) ওকলাহোমার (Oklahoma) বাসিন্দা। ঘটনার দিন সকালে ছেলে গেভিন ও লোরি ঠিক করেন পুলে সাঁতারের আনন্দ নেবেন। সেই মতো জলে নেমেছিলেন দু’জনে। ৬ আগস্টে যে ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করেন লোরি, তাতে দেখা গিয়েছে, জলে তখন একা সাঁতার কাটছেন তরুণী। গেভিন সেই সময় পুলে ছিল না। আচমকা খিঁচুনি শুরু হয় লোরির। এরপর জ্ঞান হারান তিনি। ঘটনা খেয়াল করে ১০ বছরের গেভিন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৩৩ শতাংশ মানুষ ইউটিউবার! আয় লক্ষাধিক, জানেন ছত্তিশগড়ের এই গ্রামের কথা?]

এরপরই সে দ্রুত জলে ঝাঁপ দিয়ে মার কাছে পৌঁছায়। এবং মাকে টানতে টানতে পুলের ধারে নিয়ে আসে। মিনিট খানেকের বেশি সময় ধরে মায়ের মাথা বুদ্ধি করে জলের উপরে তুলে রাখে সে। এর মধ্যে দৌড়ে আসেন গেভিনের দাদু। তিনি এসে বাকি কাজ করেন। তবে গেভিন ওই সময় মাকে না বাঁচালে বড় অঘটন ঘটত পারত বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন পুঁচকে গেভিনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সকলে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মহিলার শরীর বেয়ে উঠে ফণা তুলে দাঁড়িয়ে বিষধর কেউটে, ভিডিও দেখলে শিউরে উঠবেন]

লোরির ভিডিও পোস্টের তলায় এক নেটিজেন লিখেছেন, “তোমার ছেলে রক্ষাকর্তা ভগবানের দূত, অবিশ্বাস্য এক কিশোর, সত্যিকারের হিরো।” একজন গেভিনকে আশীর্বাদ করে লেখেন, “মাম্মিজ অ্যাঞ্জেল গেভিন যে ভাল আছে, যেন খুব খুশি হয়েছি।” এত প্রশংসা কেমন লাগছে গেভিনের? সে ছোট্ট প্রতিক্রিয়া দিয়েছে, “প্রথমে একটু ভয় পেয়েছিলাম।” ইতিমধ্যে স্থানীয় পুলিশ বিভাগ সাহসিকতার জন্য পুরস্কৃত করেছে গেভিনকে। মা লোরি বলছেন, “হ্যাঁ, আমার ছেলে প্রকৃত হিরো। এবং আমার সত্যি মনে হয় ও রক্ষাকর্তা আমার।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.