‘যে রাঁধে সে চুলও বাঁধে’। এই সহজাত ক্ষমতায় বিশ্বাসী নারীসমাজ। তাই উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলের সাম্প্রতিক বক্তব্যে ফুঁসছে মহিলামহল। গত ৯ জুলাই কানপুরের ছত্রপতি শাহু জি মহারাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে একচল্লিশতম সমাবর্তন অনুষ্ঠান। সেখানে বক্তৃতা রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “আপনি আইএএস অফিসার বা শিক্ষক যাই হন না কেন তার আগে একজন দক্ষ মা হয়ে উঠা জরুরি। প্রত্যেকেরই রান্না জানা উচিত।”
সমাজমাধ্যমে সেই ‘বিতর্কিত’ ক্লিপিং ভাইরাল হতেই একেবারে শোরগোল। সোশালপাড়ায় সমালোচনার ঝড়। তবে আনন্দীবেন প্যাটেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন কঙ্গনা রানাউত। সমালোচনার মাঝে রবিবার আনন্দীবেন প্যাটেলের সমর্থনে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মাণ্ডি লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ ও অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন:
কঙ্গনার মতে, ‘মানবজাতিকে লালনপালনের দায়িত্ব ঈশ্বর নারীদের ওপরই অর্পণ করেছেন। এটাই আমাদের প্রকৃত স্বভাব। তাই নারীদের মা, দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা রূপে সম্মান করা হয়।’

তাঁর মতে, মেয়েরা দশভূজা। একসঙ্গে সবদিক সমলাতে তাঁরা সিদ্ধহস্ত, অপার ক্ষমতার অধিকারী। সেই জন্যই মেয়েরা এই সমাজে দেবীরূপে পূজিত হন। রাজ্যপালের বক্তৃতার একটি ভিডিও শেয়ার করে কঙ্গনা বলেন, “সন্তানকে লালনপালন ও যত্ন করা, নিজের হাতে খাওয়ানো নারীদের সহজাত ক্ষমতা। আলাদা করে শেখার মতো কোনও বিষয় নয়।”

মেয়েবেলার স্মৃতিচারণ করে ‘ক্যুইন’ কঙ্গনার দাবি, “আমি যখন ছোট ছিলাম তখন আমার ভাই ফুটবল ও ক্রিকেট খেলত। আর আমি খুব যত্ন করে পুতুলের জন্য বাড়ি বানাতাম, ওদের জামাকাপড় সেলাই করতাম এবং রান্নাও করতাম। বাড়ির সবাই মজা পেত। কারণ আমি ছোট ছোট চুলা বানিয়ে পুতুলের মা সেজে খেলতাম।”

When we were small my brother played football and cricket but I carefully build doll houses , stitched their clothes and cooked their food , much to everyone’s amusement in the house I made small chulahs and pretended to be doll mom.
It is not something that we need to learn, God… https://t.co/QfTaldQvkW— Kangana Ranaut (@KanganaTeam) July 12, 2026
আরও যোগ করেছেন, “এগুলো এমন কোনও কঠিন বিষয় নয় যা আমাদের আলাদা করে শিখতে হয়। মানবজাতিকে লালনপালনের দায়িত্ব ঈশ্বর নারীদের ওপরই অর্পণ করেছেন। এটাই আমাদের প্রকৃত স্বভাব। তাই নারীদের মা, দেবী, শক্তি, অন্নপূর্ণার মতো নানা রূপে সম্মান করা হয়। এর বাইরেও প্রিয়জনকে ভালোবাসা, তাঁদের খাওয়ানো, তাঁদের সঙ্গে আনন্দ করা এবং পরমযত্নে স্নেহের সঙ্গে লালনপালন করার মধ্যে এক অসীম আনন্দ রয়েছে। এগুলো নারীসত্তার এক অপার সৌন্দর্য।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
জোড়া ঘূর্ণাবর্তে বাংলাজুড়ে দুর্যোগ! কলকাতায় ঝেঁপে বৃষ্টি, ভাসবে কোন কোন জেলা?
-
রামমন্দিরে অনুদান চুরি বিতর্কে অনুপম-অখিলেশ তরজা, কী বললেন অভিনেতা?
-
রাজ্যে কার্যকর ‘গুন্ডাদমন’ আইন, কোন অপরাধে কী শাস্তি হতে পারে?
-
মার্কিন হামলার জবাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গোলাবর্ষণ! যে কোনও মূল্যে হরমুজ রক্ষার বার্তা ইরানের
-
‘মেসিকে খুঁজেই পাইনি’, আর্জেন্টিনা ম্যাচ নিয়ে ফের বিস্ফোরক জিকো, এগিয়ে রাখলেন রোনাল্ডোকে