Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
Iran

মার্কিন হামলার জবাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গোলাবর্ষণ! যে কোনও মূল্যে হরমুজ রক্ষার বার্তা ইরানের

ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, গোলাবারুদের ডিপো এবং ড্রোন অবকাঠামোকে কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১১:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১১:৫৬

options
link
মার্কিন হামলার জবাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে গোলাবর্ষণ! যে কোনও মূল্যে হরমুজ রক্ষার বার্তা ইরানের zoom
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বেলাগাম হামলা ইরানের।

হরমুজে ভারতীয় নাবিকবাহী জাহাজে ইরানের হামলাকে কেন্দ্র করে ফের যুদ্ধের আগুন লাগল মধ্যপ্রাচ্যে। রবিবার ইরানের কেশম, সিরিক, বন্দর আব্বাস, জাস্ক, বুশেহর-সহ ১৪০টি জায়গায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। এর জবাবে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে এলোপাথাড়ি হামলা শুরু করল ইরান। সোমবার কুয়েত, বাহরিনের একের পর এক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। এই হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, গোলাবারুদের ডিপো এবং ড্রোন অবকাঠামোকে কার্যত ধ্বংস হয়েছে।

মার্কিন হামলার জবাবে কুয়েত ও বাহারিনে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। পাশাপাশি হামলা হয়েছে কাতার, ওমান এবং জর্ডানেও। আইআরজিসি-র মতে, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটির জ্বালানি ট্যাঙ্ক ও প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটির রাডার ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে বাহরিনের ইসা বিমান ঘাঁটিতে হামলার দায়ও স্বীকার করে ইরান। আইআরজিসি জানিয়েছে, এখানে মার্কিন সেনার একটি হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র, একটি পি-৮ বিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি মার্কিন সামরিক ড্রোন কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টারকে ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেইনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেন, পরমাণু বোমার চেয়েও ইরানের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী।আইএসএনএ সংবাদ সংস্থার মতে, রেজাই বলেছেন ইরান যে কোনও মূল্যে হরমুজ প্রণালী রক্ষা করবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, রবিবার সকালে ওমান উপকূলের কাছে সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালিয়েছিল ইরান। তেহরানের দাবি ছিল, বৈধ অনুমতি ছাড়াই ওই পথ ধরে যাচ্ছিল জাহাজটি। ইরানের হামলার পর জাহাজে থাকা ১১ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১০ জনকে উদ্ধার করা হলেও একজনের খোঁজ পাওয়া যায়নি। এই হামলার কড়া নিন্দা করেছে নয়াদিল্লি। এরপরই নতুন করে উসকে ওঠে যুদ্ধের আগুন। এই হামলার পর নতুন করে ইরানে ১৪০টি জায়গায় হামলা চালায় আমেরিকা। একইসঙ্গে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ‘হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ নৌচলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। এবং নৌ চলাচল বহাল রাখতে মার্কিন বাহিনী পুরোদমে প্রস্তুত।’

তবে ছাড়ার পাত্র নয় ইরানও। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ রবিবার জানিয়েছিলেন, আমেরিকা এই চুক্তি থেকে সরে এসেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে সোশাল মিডিয়ায় লিখেন, “একতরফা চুক্তির দিন শেষ। আমরা বলেছিলাম, কথা রাখো, নয়তো দাম চোকাও। বাস্তবটা এবার সামনে।” একইসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘কোনওরকম হামলার ঘটনা ঘটলে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে আমেরিকা ও তাদের সমর্থক শত্রুকে, এবং এই হামলাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটলে আমরা আরও কঠোরভাবে জবাব দেব।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.