Genitals Rubber band

OMG! যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ড জড়িয়ে ফেললেন বৃদ্ধ, তারপর…

কী বলছেন চিকিৎসকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২১, ১৪:৫৪

options
link
OMG! যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ড জড়িয়ে ফেললেন বৃদ্ধ, তারপর…
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আচমকা খেয়াল। আর তাতেই নিজের যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ড পেঁচিয়ে ফেললেন বৃদ্ধ। একটা নয় অনেকগুলি রবার ব্যান্ড হাতে পেয়ে এই কাণ্ড করে বসেন তিনি। প্রায় তিনদিন ধরে সহ্য করলেন যন্ত্রণা। আর একটু দেরি হলেই প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হতে পারত বৃদ্ধের। যদিও শিকাগোর এক হাসপাতালের চিকিৎসকদের তৎপরতায় প্রাণঘাতী বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

Advertisement

বৃদ্ধর স্ত্রীর দাবি, একদিন হঠাৎ করে নিজের যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ডগুলি (Rubber Bands) পেঁচিয়ে ফেলেন বৃদ্ধ। বারবার চেষ্টা করা হয় রবার ব্যান্ড খোলার। কিন্তু কিছুতেই রাজি হননি তিনি। এভাবেই কেটে যায় তিনদিন। প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যায় তাঁর। তা সত্ত্বেও কোনও ভ্রুক্ষেপ নেই বৃদ্ধের। রীতিমতো অসুস্থ হয়ে পড়ার উপক্রম। বাধ্য হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। চিকিৎসকরা অবাক হয়ে যান। তাঁদের দাবি, পুরুষের যৌনাঙ্গে ঘণ্টাখানেক রবার ব্যান্ড পেঁচিয়ে রাখাই বিপজ্জনক। কারণ তার ফলে রক্ত সঞ্চালন ব্যাহক হয়। পৌঁছয় না অক্সিজেন। ফলে অঙ্গটিতে পচন ধরার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই অসহ্য যন্ত্রণাও হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কোপা জিততেই বিড়ির প্যাকেটে মেসির ছবি! নেটদুনিয়ায় হাসির রোল]

বৃদ্ধকে (Old Man) এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে অস্ত্রোপচার (Operation) করা হয়। বাদ দেওয়া হয় যৌনাঙ্গ। আর তার ফলেই ৮১ বছর বয়সি বৃদ্ধ প্রাণে বাঁচেন। চিকিৎসকরা জানান, প্রায় তিনদিন প্রস্রাব না হওয়ার ফলে অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে শুরু করেছিল তাঁর। তবে অস্ত্রোপচারের পর সেই সমস্যা থেকে রেহাই পান তিনি। চিকিৎসকরা আরও জানান, ওই বৃদ্ধ ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন। তাই তিনি বোধশক্তি কার্যত হারিয়ে ফেলেছেন। সে কারণেই যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ড জড়ানোর ফলে যন্ত্রণা বুঝতে পারেননি। ঠিক কী বিপদ ঘটিয়ে ফেলেছিলেন তাও ওই বৃদ্ধ ঠিকমতো বুঝতে পারেননি বলেই মনে করা হচ্ছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আপাতত বিপন্মুক্ত তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আজব কাণ্ড! পথচারীকে কামড়ানোয় দুই পোষ্য কুকুরকে ‘মৃত্যুদণ্ড’ পাকিস্তানে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.