India Book of Records

গীতার শ্লোক থেকে কবিতা বলতে পারে গড়গড়িয়ে! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে খুদে কিরণ

ছেলের এহেন প্রতিভায় উচ্ছ্বসিত কিরণের বাবা-মা, গিনেস বুকে নাম তুলতে চান ছেলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৪, ১৭:০০

options
link
গীতার শ্লোক থেকে কবিতা বলতে পারে গড়গড়িয়ে! ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে খুদে কিরণ
ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে অন্ডালের আড়াই বছরের খুদে কিরণ গড়াই। ছবি: উদয়ন গুহরায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বয়স সবে আড়াই। আর এই বয়সেই তার কীর্তিতে তাক লাগিয়েছে বড়দের। কী এমন করছে সে? সে এক কাণ্ড! আড়াই বছরে মুখে খই তো ফুটছেই। শুধু তাতে থেমে থাকছে না পশ্চিম বর্ধমানের অন্ডালের (Andal) কিরণ গড়াই। গড়গড়িয়ে সে বলছে গীতার শ্লোক, নাগাড়ে বলে চলেছে পঞ্চাশটি কবিতা, পর পর বলে যাচ্ছে ২৬ মনীষীর নাম! এহেন কিরণের নাম এবার উঠেছে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে (India Book of Records)।

Advertisement

কিরণ গড়াই। পশ্চিম বর্ধমানের (Paschim Burdwan) অন্ডালের বাসিন্দা। বয়স আড়াই হলে কী? গীতার ১৮ অধ্যায় তার ঠোঁটস্থ। পঞ্চাশটি কবিতা বলতে পারে অনায়াসে। এখনও পর্যন্ত ২৬ জন মনীষীর নাম সে মুখস্ত করেছে। ইংরেজিতে সব ফল, পাখির নাম বলে কিরণ। তীক্ষ্ণ তার স্মৃতিশক্তি। আর এহেন বিরল প্রতিভাধর শিশু কিরণের ‘আলো’য় উদ্ভাসিত ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসের পাতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অস্ত্র হাতে ভারতীয় ভূখণ্ডে চিনা সেনা! রুখে দাঁড়ালেন লাদাখের মেষপালকেরা, ভাইরাল ভিডিও]

কিরণের বাবা বাবন গড়াই বলেন, “ছেলে সবকিছু মনে রাখতে পারে। ১ বছর বয়স থেকেই বই নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করত। কয়েক মাস আগে থেকে একের পর এক বই পড়ে মগজাস্ত্র করেছে অনেক কিছুই। ২৬ টির বেশি মনীষীর ছবি দেখে বলতে পারে নাম। গীতার ১৮টি অধ্যায় আর বাণীও বলতে পারে। সব ফল, শাক-সবজি, পশুপাখির নামও তার ঠোঁটের ডগায়।” মা পূর্ণিমা গড়াই বলেন, “ছেলে অনেক বড় হোক। একজন ভালো মানুষ হোক।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: রামমন্দির নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, কংগ্রেসের মণিশঙ্কর আইয়ার ও তাঁর মেয়েকে বাড়ি ছাড়ার নোটিস]

ছেলের এই প্রতিভা দেখে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে আবেদন করেন তাঁরা। তার কিছুদিন পরেই মিলল স্বীকৃতি। মেডেল ও শংসাপত্র বাড়িতে এসে পৌঁছেছে।” পূর্ণিমাদেবী জানান, ছেলের স্মৃতিশক্তি নিয়ে আগামী দিনে গিনেস বুক অফ রেকর্ডসেও আবেদন করতে চান তাঁরা। সেখানেও জায়গা করে নেবে ছেলে। তবে ছেলেকে কোনওদিন চাপ দিতে চান না তাঁরা। আগামী দিনে বহু দূরে পৌঁছে যাবে ছেলে, সেই স্বপ্নও দেখেন তাঁরা। কিরণের শিক্ষিকা ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “দু-তিনবার পড়ানোর পরেই মনে রাখতে পারে। বাংলা থেকে ইংরেজি সবেতেই পারদর্শী সে। জীবন সবে শুরু হয়েছে আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাক কিরণ চান তিনিও।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.