সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মক্ষেত্রে কেটে যায় ৮-৯ ঘণ্টা। কিন্তু তার মধ্যে যদি কোনও ব্যক্তি ছ’টি ঘণ্টা শৌচালয়েই কাটিয়ে দেন, তাহলে? যা হওয়ার তাই হল। চাকরি খোয়ালেন তিনি।
ঘটনা চিনের এক সংস্থার। ওয়াং নামের এক ব্যক্তি ২০০৬ সালে যোগ দিয়েছিলেন ওই সংস্থায়। বছর আষ্টেক দিব্যি কাজকর্ম করছিলেন। কিন্তু ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে শৌচ সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দেয় ওয়াংয়ের। তার পর থেকেই অনেকটা সময় তিনি শৌচালয়ে কাটাতেন। ঘন ঘন টয়লেটে যেতেন তিনি। চিকিৎসা করিয়েও পুরোপুরি সুস্থ হননি তিনি। ফলে মাঝেমধ্য়েই তলপেটে ব্যথা অনুভব করতেন তিনি। আর সেই কারণেই কাজ ফেলে ছুটে যেতে হত শৌচালয়ে। ২০১৫ সালের জুলাই মাস থেকে দিনে তিন থেকে ছ’ঘণ্টা তাঁর কাটত শৌচালয়েই।
[আরও পড়ুন: নিয়োগপত্র ছাড়াই নবম-দশমে চাকরি, CBI’র তথ্যে বিস্মিত বিচারপতি বসু]
এরপরই সংস্থার তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে এমন পরিস্থিতিতে ওই ব্যক্তিকে চাকরিতে রাখা সম্ভব নয়। অসুস্থতার কারণ দেখিয়েই তাঁকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু কোম্পানির এহেন সিদ্ধান্ত মুখ বুজে মেনে নিতে পারেননি তিনি। এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন ওয়াং। কিন্তু যাবতীয় যুক্তিতর্ক শোনার পর কোম্পানির পক্ষেই রায় দেয় চিনের আদালত।
আদালতকে কোম্পানি জানিয়েছিল, ২০১৫ সালের ৭ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে মোট ২২বার শৌচালয়ে গিয়েছিলেন ওয়াং। প্রত্যেকবার গড়ে ৪৭ মিনিট করে সময় কাটান তিনি। আর এতেই স্পষ্ট হয়ে যায় যে এহেন কর্মীর থেকে কোম্পানি বিশেষ কোনও কাজ পাবে না। আর সেই কারণেই আদালত কোম্পানির পক্ষেই রায় দেয়। তবে চাকরি খুইয়ে স্বাভাবিক ভাবেই নিরাশ ওয়াং। অন্য সংস্থাও তাঁকে কাজে নেবে কি না, তা নিয়ে সন্দিহান তিনি নিজেও।
[আরও পড়ুন: ‘আলোচনা মানেই সম্মতি নয়’, উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে এবার সুর আরও চড়ালেন রাজ্যপাল]
সর্বশেষ খবর
-
উরুগুয়েকে হারিয়ে পরের রাউন্ডে স্পেন, ইতিহাস গড়ে নকআউটে ভোজিনহার কেপ ভার্দেও
-
আবেগের নাম শ্যামাপ্রসাদ! ভারত কেশরী ‘ঘনিষ্ঠ’ শতায়ু অফিসারকে শ্রদ্ধা বিজেপি নেতার
-
‘কালো হিরে’র হ্যাটট্রিকে স্বমহিমায় ফরাসি বিপ্লব, নরওয়েকে গোলের মালা ফ্রান্সের
-
কন্ডোম-খাট-বালিশ, বিধাননগরে তৃণমূলের ওয়ার্ড অফিস যেন হোটেল! দেখে হতবাক স্বাস্থ্যমন্ত্রী
-
‘কী করে ওকে বলব…?’ ভূমিকম্পে মেয়ের প্রাণ বাঁচিয়ে মৃত স্ত্রী, ভেঙে পড়লেন ভেনেজুয়েলার ফুটবলার