Desi fridge

বিদ্যুৎ ছাড়াই চলে, দীর্ঘক্ষণ টাটকা থাকে খাবার! ফিচারে নজর কাড়ছে রাজস্থানের ‘দেশি ফ্রিজ’

কীভাবে কাজ করে এই ফ্রিজ?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ১৯:০৫

options
link
বিদ্যুৎ ছাড়াই চলে, দীর্ঘক্ষণ টাটকা থাকে খাবার! ফিচারে নজর কাড়ছে রাজস্থানের ‘দেশি ফ্রিজ’
নজর কাড়ছে রাজস্থানের 'দেশি ফ্রিজ'

ফ্রিজ আছে, খাবার ঠান্ডা ও টাটকা থাকে কিন্তু লাগে না বিদ্যুৎ! ফলে আসে না বিলও। শুনে অবাক লাগলেও যুগ যুগ ধরে এই দেশি ফ্রিজের ব্যবহার চলছে রাজস্থানে। ফলে বিদ্যুৎচালিত রেফ্রিজারেটর আদতে কী, তা জানেই না সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামের অনেকেই। 

Advertisement
নজর কাড়ছে রাজস্থানের ‘দেশি ফ্রিজ’

দেশি ফ্রিজের প্রচলন শুরু হয়েছিল কমপক্ষে ১০০ বছর আগে। সেই সময় বিদ্যুৎ ছিল না। এদিকে রাজস্থান মানেই চড়া গরম। তাপমাত্রা পৌঁছয় ৫০ ডিগ্রিতেও। গরমেও খাবার ঠান্ডা ও টাটকা রাখতে প্রাকৃতিক উপায়ে ফ্রিজ তৈরি করে ফেলেন স্থানীয়রা। যা আধুনিক ফ্রিজের থেকে কোনও অংশে কম নয়। রুটি রাখতে তা দীর্ঘসময় থাকতে নরম। দুধ-দই থেকে সবজি, ফলমূল, কোনওকিছুই সহজে নষ্ট হয় না। তবে এটি দেখতে কুঁড়ে ঘরের মতো। যার উপরে ঢাকা থাকে বিশেষ ঘাষ দিয়ে। নিশ্চয়ই ভাবছেন এই ফ্রিজ তৈরিতে কী কী লাগে? উত্তর হল মাটি, ঘাস আর গোবর। যদিও সময়ের নিয়মে হারাতে বসেছিল এই দেশি ফ্রিজ। সম্প্রতি নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে এটি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কীভাবে কাজ করে এই ফ্রিজ? জানা যাচ্ছে, মাটির তৈরি ঘরের দেওয়ালে সুক্ষ্ম ছিদ্র থাকে। উপরের ঘাসের ছাদ আটকে দেয় রোদ। বাষ্পীভবনের ফলে এই কুঁড়ে ঘরের ভিতরের তাপমাত্রা বাইরের তুলনায় অনেকটা কম থাকে। ফলে খরচ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ খাবার থাকে ঠান্ডা। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি হয়েছে এর ব্যবহারে পরিবেশের কোনও ক্ষতি হয় না। ফলে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে এই দেশি ফ্রিজের প্রতি তৈরি হচ্ছে আকর্ষণ।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.