সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চোখের সামনে যেন মিরাকল ঘটতে দেখলেন আশি বছরের বৃদ্ধ। বিশ্বাসই করতে পারছেন না এই বয়সে বাবা হয়েছেন তিনি! সুস্থ কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন তাঁর ৬৫ বছরের স্ত্রী। বৃদ্ধের মতো আপনারও হয়তো এ কথা বিশ্বাস করতে কোথাও বাধছে। কিন্তু এ খবরে কোনও জল মেশানো নেই।
বলিউড ছবি ‘বধাই হো’-রই যেন বাস্তব রূপায়ন। মনে করা হচ্ছে, বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সে সন্তানের জন্ম দেওয়ার নজির গড়লেন কাশ্মীরের ৬৫ বছরের এই প্রৌঢ়াই। সাক্ষাৎ যেন যিশুর আশীর্বাদ। বড়দিনের পরের দিনটিতে সান্টাক্লজের থেকে পাওয়া উপহার খোলা হয় বলে সেই দিনটি বক্সিং ডে নামে পরিচিত। আর সেই বক্সিং ডে-তেই খুশির খবর পেলেন কাশ্মীরি প্রৌঢ়া এবং তাঁর বৃদ্ধ স্বামী। কারণ সেদিনই জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চের জেলা হাসপাতালে জন্ম নেয় ফুটফুটে মেয়ে। জানা গিয়েছে, সেই দম্পতির ১০ বছরের আর এক সন্তানও রয়েছে।
[ভারতের এই গ্রামে রয়েছে নিজস্ব আইন, পৃথক অর্থনীতি এবং আলাদা সমাজব্যবস্থা]
গত বুধবার প্রসব যন্ত্রণা শুরু হলে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। সেদিনই দুপুরে নিজের দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দেন অজ্ঞাত পরিচয় সেই প্রৌঢ়া। স্ত্রী ও সন্তান সুস্থ থাকায় উপরওয়ালাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ৮০ বছরের হাকিম দিন। সঙ্গে তিনি বলেন, সন্তানদের ভালভাবে মানুষ করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানাবেন তিনি। তবে ৬৫ বছর বয়সে মা হওয়ার বিষয়টি অবাক করেছে চিকিৎসকদেরও। কারণ সাধারণত এ দেশের মহিলাদের ৪৭ বছরের পরপরই মেনোপজ হয়ে যায়। আর তারপর কোনওভাবেই সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব নয়। সেই কারণেই এ ঘটনা বিরল বলে মনে করছেন ওই হাসপাতালের এক চিকিৎসক। সাধারণত ৫০ বছরের পর মা হওয়ার ইচ্ছা হলে মহিলারা IVF প্রক্রিয়া অবলম্বন করেন। তবে এক্ষেত্রে তেমনটা কিছু হয়নি বলেই খবর। আর তাই এই প্রৌঢ়াই সবচেয়ে বেশি বয়সে সন্তান প্রসবের নজির গড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন