Gen Z

জেন জি’দের বুদ্ধি ভোঁতা করছে গুগল! মগজাস্ত্রের যুদ্ধে অনেক এগিয়ে মিলেনিয়াল, বলছে গবেষণা

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় চাঞ্চল্য। তথ্য বলছে, ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনও প্রজন্মের বুদ্ধ্যাঙ্ক বা আইকিউ তার আগের প্রজন্মের চেয়ে নিচে নেমে গিয়েছে। আর এই তালিকায় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আজকের ‘জেন-জেড’ (Gen-Z)।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৯:৪৪

options
link
জেন জি’দের বুদ্ধি ভোঁতা করছে গুগল! মগজাস্ত্রের যুদ্ধে অনেক এগিয়ে মিলেনিয়াল, বলছে গবেষণা
ছবি AI দ্বারা নির্মিত

প্রযুক্তির ঝনঝনানি বেড়েছে। হাতের মুঠোয় চলে এসেছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু পাল্লা দিয়ে কি কমছে মানুষের বুদ্ধি? সাম্প্রতিক এক গবেষণা অন্তত সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। তথ্য বলছে, ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনও প্রজন্মের বুদ্ধ্যাঙ্ক বা আইকিউ তার আগের প্রজন্মের চেয়ে নিচে নেমে গিয়েছে। আর এই তালিকায় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আজকের ‘জেন-জেড’ (Gen-Z)।

Advertisement

গবেষণা অনুযায়ী, জেন-জি বা জেন-জেড-এর সদস্যরা তাঁদের আগের প্রজন্ম অর্থাৎ ‘মিলিনিয়াল’দের তুলনায় কম বুদ্ধিমান। স্নায়ুবিজ্ঞানীদের দাবি, এই পিছিয়ে পড়ার নেপথ্যে বড় ভিলেন হল ‘এডু-টেক’ বা শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির অতিব্যবহার। বর্তমানে বহু দেশে ছোটদের পঠন-পাঠন থেকে শুরু করে সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা— সব ক্ষেত্রেই ঘাটতি দেখা দিচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্নায়ুবিজ্ঞানী ডঃ জ্যারেড কুনি হোরভাথ মার্কিন সেনেটের এক কমিটির সামনে জানিয়েছেন, জেন-জি আগের প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি সময় স্কুলে কাটালেও তাদের মেধা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০১০ সালের পর থেকেই বিশ্বজুড়ে মানুষের বৌদ্ধিক ক্ষমতার গ্রাফ নামতে শুরু করেছে। মূলত বই পড়ার অভ্যাস চলে যাওয়া এবং ভিডিও বা এআই-নির্ভর পড়াশোনাই এর প্রধান কারণ।

Advertisement

হোরভাথের মতে, মানুষের মস্তিষ্ক জটিল বিষয় শিখতে অভ্যস্ত। তার জন্য অবশ্য প্রয়োজন গভীর মনোযোগ ও মানুষের সঙ্গে মেলামেশা। কিন্তু আজকের কিশোর-কিশোরীরা জেগে থাকার অর্ধেক সময় কাটায় স্ক্রিনের সামনে। ছোট ভিডিও ক্লিপ বা তথ্যের সারসংক্ষেপ দেখে জটিল বিষয় বোঝার ক্ষমতা হারাচ্ছে তারা। ফলে প্রভাব পড়ছে স্মৃতিশক্তি এবং গাণিতিক দক্ষতাতেও।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটের পর্দা কখনোই শিক্ষক বা বন্ধুর বিকল্প হতে পারে না। অন্তত ৮০টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, যে দেশে যত বেশি ডিজিটাল প্রযুক্তি ক্লাসরুমে ঢুকেছে, সেখানে পড়ুয়াদের পারফরম্যান্স তত খারাপ হয়েছে। বিবর্তন বলছে, মানুষের মস্তিষ্ক সামনাসামনি মিথস্ক্রিয়া ছাড়া পূর্ণ বিকশিত হতে পারে না। স্ক্রিনের নেশা কি তবে আধুনিক প্রজন্মের বুদ্ধিতে অকাল বসন্ত ডেকে আনছে? উত্তর খুঁজছে বিজ্ঞান মহল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন