Chhattisgarh

টলতে টলতে স্কুলে মদ্যপ প্রধানশিক্ষক! লুঙ্গি-গেঞ্জি পরেই রেজিস্টারে সই, ভিডিও ঘিরে শোরগোল

তাঁর কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৮, ২০২৪, ১৬:১৮

options
link
টলতে টলতে স্কুলে মদ্যপ প্রধানশিক্ষক! লুঙ্গি-গেঞ্জি পরেই রেজিস্টারে সই, ভিডিও ঘিরে শোরগোল

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক করে কথা বলতে পারছেন না। পা দুটি টলমল করছে। মাথার চুল উস্কোখুস্কো! লুঙ্গি হাঁটুর উপর তোলা। গায়ে সাদা হাফ হাতা গেঞ্জি। বোঝাই যাচ্ছে আকণ্ঠ মদ পান করেছেন ব্যক্তি। তিনি আবার প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক। মদ্যপ অবস্থাতেই স্কুলে এসেছেন। যা নিয়ে শোরগোল এলাকায়। সামাজিক মাধ্যমে এমনই একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

Advertisement

জানা গিয়েছে, ওই প্রধানশিক্ষকের নাম রোমানুস কুজুর। তিনি ছত্তীসগঢ়ের ফরসাবাহার ব্লকের খাভাসাকানি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন। পাঁচ বছর আগে তিনি এই কাজে যোগ দেন। তাঁর কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভিডিওটিতে দেখা গিয়েছে, টালমাটাল অবস্থায় তিনি স্কুলে ঢুকছেন। একসহকর্মীর কাছে তিনি রেজিস্টার কোথায় জানতে চান। তখনই সহকর্মীর সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই শিক্ষক। ওই সহকর্মীকে বলতে শোনা যায়, “স্কুলের পরিবেশ নষ্টের জন্য আপনি দায়ী। আপনার কারণেই শিশুরা স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে। আপনার কারণে অভিভাবকরা নিজের ছেলে-মেয়েদের এই স্কুলে ভর্তি করান না। প্রধান শিক্ষক মদ খেয়ে স্কুলে আসে এটা কোথায় হয়। স্কুলের গরিমা বজায় রাখুন।” ওই স্কুলের তিন জন শিক্ষক এবং মাত্র পাঁচ জন পড়ুয়া রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

https://videopress.com/v/r8pDnh9S

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অভিযোগ উঠেছে তিনি স্কুলে নিয়মিত আসেন না। আসলেও মত্ত অবস্থায় রেজিস্টারে সই করে চলে যান। মঙ্গলবার ওই ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসার পরে প্রশাসনের তরফে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.