সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেয়েকে কে না ভালবাসে। মেয়ের ভাল থাকা মন্দ থাকা এসব নিয়ে বাবা-মা বিশেষ করে বাবা সবসময় চিন্তিত। ভারতীয় বাবা হলে তো কথায় নেই। মেয়ে যে ‘হৃদয়ের টুকরো’ তাই তাঁর নিরাপত্তা, সুবিধা অসুবিধা এসবে একদম খামতি রাখতে চান না এদেশের বাবারা। এদেশে থাকলে ভারতীয় জনকদের মূল দুঃশ্চিন্তা মেয়ের নিরাপত্তা। কারণ, এদেশের বড় শহরগুলিতেও মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত নয়। বিদেশে অবশ্যি নিরাপত্তা নিয়ে খুব একটা চিন্তা নেই। কিন্তু বিদেশে থাকলে অন্য চিন্তা। মেয়েটা ঠিকমতো খেল তো? সময়মতো ঘুমতে গেল তো? কোনও সমস্যা হল না তো?
[OMG! পেট্রল বা ডিজেলে নয়, এই বাইকটি চলে ভদকায়!]
এইসব দুঃশ্চিন্তা দূর করতে এক ভারতীয় বাবা যা করলেন তা রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো। মেয়ে পড়াশোনার জন্য কয়েক বছর কাটাবে ব্রিটেনে। তাই মেয়ের জন্য রীতিমতো একটি ম্যানশন কিনে ফেললেন এই ভারতীয় ধনকুবের। কিন্তু খালি ম্যানসন কিনলে তো আর চলে না, ভারতীয় খাবার না খেতে পেলে মেয়ের আবার পেট ভরে না। তাই ব্রিটেনে মেয়ের যত্ন-আত্তিরের জন্য মোট ১২ জন ‘বিলিতি চাকর’ ভাড়া করার বিজ্ঞাপন দিলেন ভারতীয় ধনকুবের। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত দৈনিক ‘The Sun’ এ ওই ভারতীয় ধনকুবের মেয়ের জন্য ১২ জন চাকরের বিজ্ঞাপন দিয়েছেন। কেউ মেয়ের জন্য রান্না করবেন, কেউ মেয়ের জন্য বাজার করবেন। কেউ জামা কাপড় কাচবেন। একজন চাকরের নাকি কাজই হল মেয়েকে সময়মতো ঘুম থেকে তোলা এবং ঘুম পাড়ানো।
[হাতি তাড়াবে মৌমাছি! অভিনব ব্যবস্থা ভারতীয় রেলের]
আর এই ১২ জন বিলেতি চাকরের জন্য ওই ভারতীয় ধনকুবেরের কত টাকা খরচ হচ্ছে জানেন। না খুব বেশি নয়, মাসে মোটে ২৮ লক্ষের মতো। এই টাকায় একজন ভারতীয় ছাত্রের সারা জীবনের পড়াশোনার খরচ হয়ে যেতে পারে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই নেটিজেনরা ওই ভারতীয় ধনকুবেরকে কটাক্ষে বিঁধছেন। কেউ কেউ বলছেন, এত ঝক্কি না করে, পুরো কলেজটাকেই তো ভারতে নিয়ে চলে আসতে পারতেন।
সর্বশেষ খবর
-
আশ্রমেই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সন্ন্যাসী! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে উত্তেজনা কোচবিহারে
-
মরশুমের বাকি ট্রফিজয়ের হুঙ্কার মোহনবাগানের ছাংতের, ইস্টবেঙ্গলে সই নিয়ে কী জানালেন সানান?
-
নাশকতা নাকি জেল পালানোর ব্লুপ্রিন্ট? ফরেনসিকে আফতাবের প্রেসিডেন্সির সেলে বাজেয়াপ্ত মোবাইল
-
নায়ক ও মহানায়ক! ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে উত্তম কুমার, সত্যজিৎ রায়কে স্মরণ মোদির
-
বাংলাদেশি হয়েও বৈষ্ণবনগরে তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান! মালদহে আরও এক ‘লাভলি’র খোঁজ