একটা সময় নাকি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে সূর্য অস্ত যেত না। ইংরেজদের প্রভাব-প্রতিপত্তি এতটাই বেশি ছিল, যা কার্যত গোটা বিশ্বে তাঁদের দাপটে বাঘে-গরুতে একঘাটে জল খেত। সেই প্রবল প্রতিপত্তির সময় এক ভারতীয় ব্যবসায়ীর কাছে হাত পাততে হয়েছিল ব্রিটিশ সরকারকে। যার জেরে ১০৯ বছর পর মোটা অঙ্কের খেসারত দিতে হতে পারে ব্রিটেনের বর্তমান সরকারকে।
আরও পড়ুন:
একটু খোলসা করে বলা যাক। সালটা ১৯১৭। বিশ্বযুদ্ধ চলছে। স্বাভাবিকভাবেই ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভাঁড়ারে টান। সেসময় যুদ্ধ ও প্রশাসনিক কাজকর্ম চালানোর জন্য ভারত-সহ একাধিক উপনিবেশের বড় ব্যবসায়ীদের কাছে হাত পাতে ইংরেজরা। মধ্যপ্রদেশের সেহোরের ব্যবসায়ী বিবেক রুইয়ার দাবি, সেসময় তাঁর পিতামহ জুম্মালাল রুইয়ার থেকে ৩৫ হাজার টাকা ধার নিয়েছিল ব্রিটিশরা। আজকের দিনের হিসাব করলে যা কয়েক কোটি টাকার সমান। তাছাড়া সেই টাকার সুদও রয়েছে। ফলে ব্রিটিশ সরকারের কাছে কোটি কোটি টাকা প্রাপ্য তাঁর।
বিবেক রুইয়ার দাবি, কিছুদিন আগে বাড়িতে পুরনো নথি ঘাটতে গিয়ে একটি মূল্যবান কাগজ খুঁজে পেয়েছেন তিনি। তাতে স্পষ্ট ব্রিটিশ সরকারের স্বীকারোক্তি রয়েছে, তাঁরা ১৯১৭ সালে জুম্মালাল রুইয়ার থেকে ৩৫ হাজার টাকা নিয়েছে। সেসময় ভোপাল প্রিন্সলি স্টেটের অন্যতম বড় ব্যবসায়ী ছিলেন জুম্মালাল। ২০ বছর বাদে ১৯৩৭ সালে তিনি মারা যান। তারও ১০ বছর বাদে ব্রিটিশরা ভারত ছাড়ে। ওই ঋণ আর তারা শোধ করেনি। যার অর্থ জুম্মালালের পরিবারের সদস্যরা এখনও সেই টাকা ব্রিটিশ সরকার শোধ করেনি।
১০৯ বছর বাদে সেই টাকা ফেরত চেয়ে ব্রিটিশ সরকারের কাছে আবেদন করতে চলেছেন জুম্মালালের নাতি বিবেক রুইয়া। তাঁর দাবি, আজকের হিসাব ধরলে ব্রিটেন সরকারের কাছে কোটি কোটি টাকা পাওনা তাঁর। যা কিনা ভাগ্য বদলে দিতে পারে ওই ব্যবসায়ীর। ব্রিটেনের বর্তমান সরকার যদি নিতান্তই ওই টাকা ফেরত দিতে অস্বীকার করে, তাহলে আন্তর্জাতিক আইনের দ্বারস্থও হতে পারেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, “ওই ঋণ ভারতের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আর ব্রিটিশ সরকার সেটা মেটাতে বাধ্য।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত বিক্রি! এক সপ্তাহে তদন্ত শেষের নির্দেশ হাই কোর্টের
-
শোভনের হাতে পায়েস মুখ, সোহিনীর সাধভক্ষণে কী ছিল মেনুতে?
-
অন্নপূর্ণার আবেদন ‘আন্ডার প্রসেস’, বাতিল হবে না তো? জেনে নিন এই সময়ে কী করণীয়
-
যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যই মূল, ঢেলে সাজানো হচ্ছে শিয়ালদহ-বহরমপুর ডিভিশন
-
সোশাল মিডিয়ার ‘পরীক্ষা’য় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের রিপোর্ট কার্ড, ‘ফ্রেন্ডস’ ভিডিও ডিলিটেও ফার্স্ট বয় মোদি!