Singapore

বউকে খোরপোশ দিতে হবে ১৫ লক্ষ, নিজেকে ‘গরিব’ প্রমাণ করতে ৬ কোটির চাকরি ছাড়লেন স্বামী!

চার সন্তানের বাবা ফের নতুন সম্পর্কে জড়াতেই মামলা গড়ায় আদালতে। প্রথমে খোরপোশের অঙ্কে রাজি থাকলেও পরে বেঁকে বসেন ভদ্রলোক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১৬:৩২

options
link
বউকে খোরপোশ দিতে হবে ১৫ লক্ষ, নিজেকে ‘গরিব’ প্রমাণ করতে ৬ কোটির চাকরি ছাড়লেন স্বামী!

কানাডা থেকে সিঙ্গাপুরে এসে থিতু হয়েছিলেন। পেয়েছিলেন বিপুল বেতনের চাকরি। কিন্তু শেষপর্যন্ত স্ত্রীকে মোটা অঙ্কের খোরপোশ দেওয়ার ভয়ে সেই চাকরিই ছেড়ে দিলেন এক ব্যক্তি! তবে আদালত এই ‘কৌশলে’ প্রভাবিত হতে নারাজ। পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে ক’মাসের টাকা বকেয়া সব মিটিয়ে দিতে হবে। আর সেই অঙ্কটা ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ৫ কোটি ৮৩ লক্ষ টাকা!

Advertisement

জানা গিয়েছে, স্বামী ও স্ত্রী দু’জনই ছিলেন কানাডার বাসিন্দা। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে চার সন্তানকে নিয়ে তাঁরা সিঙ্গাপুরে আসেন। ভদ্রলোক সিঙ্গাপুরের বহুজাতিক সংস্থায় সিনিয়র এগজিকিউটিভ ছিলেন। ২০২৩ সালে বার্ষিক রোজগার দাঁড়ায় ৮ লক্ষ ৬০ হাজার ডলার তথা ৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকারও বেশি! জানা যাচ্ছে, ভদ্রলোকের স্ত্রী ছিলেন গৃহবধূ। ২০০৬ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ওই দম্পতির চার সন্তানও হয়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালে এক মহিলার সঙ্গে আলাদা থাকতে শুরু করেন। আর সেখান থেকেই বাঁধল গোলমাল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভদ্রলোক সিঙ্গাপুরের বহুজাতিক সংস্থায় সিনিয়র এগজিকিউটিভ ছিলেন। ২০২৩ সালে বার্ষিক রোজগার দাঁড়ায় ৮ লক্ষ ৬০ হাজার ডলার তথা ৭ কোটি ৯০ লক্ষ টাকারও বেশি!

বিচ্ছেদের মামলা গড়িয়েছিল আদালতে। সিঙ্গাপুরের পরিবার আদালতে ওই ব্যক্তি প্রথমে ২০ হাজার ডলার তথা ১৫.৫ লক্ষ টাকা খোরপোশ দিতে রাজি ছিলেন। মাসিক খরচের মধ্যে ছিল বাড়িভাড়া, স্কুল ফি, স্কুলে যাওয়া-আসার খরচ। কিন্তু পরে সেটাই কমিয়ে ৭.৭ লক্ষ টাকা করে দেন। এরপর সেবছরেরই অক্টোবরে ভদ্রলোকের স্ত্রী আবেদন করেন আদালতে। কিন্তু ভদ্রলোক বলেন, তাঁর ‘প্রাক্তন’ স্ত্রী ও সন্তানরা কানাডায় ফিরে গিয়েছেন। সেখানে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বাবদ কোনও খরচ লাগে না। তাই তিনি খরচ কমিয়ে দিচ্ছেন। এরপর তিনি চাকরিটাই ছেড়ে দেন! স্রেফ নিজেকে ‘গরিব’ দেখাতে পরে কানাজায় ফিরে গিয়ে কম মাইনের চাকরি নেন। পরে আদালতে হাজিরা না দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে জারি হয় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা।

Advertisement

এতরকম চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। ওই ব্যক্তিকে এখনও পর্যন্ত দিতে হয়েছে ১ কোটি ৪১ লক্ষ টাকারও বেশি। দিতে হবে সব মিলিয়ে ৫ কোটি ৮২ লক্ষেরও বেশি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তাঁর পক্ষে দায়িত্বশীল কাজটি হত চাকরি ছাড়লেও এমন চাকরি জোগাড় করা, যার সাহায্যে পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা করতে পারতেন। কিন্তু তা না করে তিনি উলটো কাজটি করেছেন। তবে যেহেতু ভদ্রলোকের স্ত্রী চাকরি না করলেও শিক্ষাগত যোগ্যতা রয়েছে, তাই তাঁরও এবার চাকরি করা দরকার বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.