Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Murshidabad

পুলিশের ‘ভুয়ো’ পরিচয়ে গ্রামের মেয়েকে বিয়ে! শাশুড়ির খোঁজখবরের পরেই শ্রীঘরে ‘সৎপাত্র’

পুলিশের পোশাক পরে 'ডিউটি'তে যেতেন। রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে তিনি কর্মরত, এমনই জানতেন এলাকার লোকজন। পুলিশে চাকরির সুবাদে দিন কয়েক আগে বিয়ের সম্বন্ধও এসেছিল। সম্প্রতি চার হাত একও হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের পর থেকে নতুন জামাইয়ের চালচলনে সন্দেহ হয় শাশুড়ির।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৯:১০

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৯:১০

options
link
পুলিশের ‘ভুয়ো’ পরিচয়ে গ্রামের মেয়েকে বিয়ে! শাশুড়ির খোঁজখবরের পরেই শ্রীঘরে ‘সৎপাত্র’ zoom
ধৃত ওই যুবক।
Advertisement

পুলিশের পোশাক পরে ‘ডিউটি’তে যেতেন। রাজ্য পুলিশের কনস্টেবল পদে তিনি কর্মরত, এমনই জানতেন এলাকার লোকজন। পুলিশে চাকরির সুবাদে দিন কয়েক আগে বিয়ের সম্বন্ধও এসেছিল। সম্প্রতি চার হাত একও হয়ে যায়। কিন্তু বিয়ের পর থেকে নতুন জামাইয়ের চালচলনে সন্দেহ হয় শাশুড়ির। তিনি থানায় গিয়ে খোঁজখবর করতেই যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে! থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। জানা গিয়েছে, ওই যুবক আদপে ভুয়ো পুলিশ! পুলিশে তিনি কোনওকালেই কর্মরত ছিলেন না! শাশুড়ির খোঁজখবরের পরেই শ্রীঘরে ‘সৎপাত্র’। ধৃতের নাম কামালউদ্দিন মির্জা।

ওই যুবকের বাড়ি বীরভূমের লাভপুর থানার হাতিয়া গ্রামে। মুর্শিদাবাদের শক্তিপুরের লাহারপাড়া গ্রামে তিনি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। কামালউদ্দিন পুলিশের কনস্টেবল পদে কর্মরত বলেই এলাকার লোকজনদের জানিয়েছিলেন। বলতেন, শক্তিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের নিরাপত্তায় রয়েছেন। পুলিশের পোশাক পরেই কাজে বেরতেন তিনি। সেজন্য লোকজনের তেমন কোনও সন্দেহও হয়নি। এদিকে ওই এলাকারই এক তরুণীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে ঠিক হয়। গত ৩০ জুন তাঁদের বিয়েও হয়।

Advertisement

বিয়ের পর থেকেই জামাইয়ের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয়েছিল শাশুড়ির। তিনি শক্তিপুর থানায় গিয়ে খোঁজখবর নেন। জানা যায়, জামাই পুলিশে কর্মরত নয়। খোঁজখবর নিয়ে দেখা যায়, ওই যুবক আসলে ভুয়ো পুলিশ! এরপরেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। গতকাল, শুক্রবার রাতে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই যুবক পুলিশের ভুয়ো পরিচয়পত্র বানিয়েছিলেন! পুলিশের নকল পোশাকও বানানো হয়েছিল! সেই পোশাক পরে ভুয়ো পরিচয়পত্র নিয়ে এলাকায় ঘুরতেন ওই যুবক! আজ, শনিবার ধৃতকে বহরমপুর জেলা আদালতে তোলা হয়। কী কারণে এমন ‘নকল’ পুলিশ সাজা? এর পিছনে কি অন্য কোনও উদ্দেশ্য আছে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.