নাসাকে টপকে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে বেসরকারি সংস্থা ‘স্পেস এক্স’

মাত্র কয়েক বছরের অপেক্ষা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮, ১৯:৪১

options
link
নাসাকে টপকে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে বেসরকারি সংস্থা ‘স্পেস এক্স’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বপ্ন দেখা আর স্বপ্ন দেখানোয় জুড়ি মেলা ভার ধনকুবের এলন মাস্কের! সেই স্বপ্নকে সত্যি করতে এলনের হাত ধরলেন জাপানের ইউসাকু মায়েজাওয়া। কারণ, ৪২ বছর বয়সি ইউসাকু-কে প্রথম চাঁদে ঘুরতে নিয়ে যাবেন এলন মাস্কের সংস্থা স্পেস এক্স। এজন্য তারা বিগ ফ্যালকন রকেট (বিএফআর) তৈরিতে হাত লাগিয়েছে। নাসার উদ্যোগের বাইরে তারাই বিশ্বের প্রথম বেসরকারি সংস্থা যারা নিজস্ব উদ্যোগে চাঁদের কাছে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। চাঁদে ও মঙ্গলে মানুষ পাঠানোর জন্যই বিএফআর তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্পেস এক্স।

Advertisement

[১৩ হাজার ফুট উচ্চতায় প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা স্কাই ডাইভারের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তবে এখনই নয়। ২০২৩ সালে। জাপানের এই কোটিপতি ব্যবসায়ী তাই এখন নাওয়া-খাওয়া ভুলে মজেছেন ছোটবেলার স্বপ্ন সত্যি করতে। ক্যালিফোর্নিয়ার স্পেস এক্স হেড কোয়াটার্স থেকে ইউসাকু জানিয়েছেন, “চাঁদের প্রতি আমার ভালবাসা ছোট থেকেই। আজ আমি খুব খুশি কারণ, অবশেষে আমার চাঁদে যাওয়ার স্বপ্নটা সত্যি হচ্ছে। এ বছর ওঁদের স্বাস্থ্য ও ফিটনেস পরীক্ষা করা হবে। তার পর চাঁদের মুলুকে পাড়ি জমানোর জন্য প্রয়োজনীয় ট্রেনিংও দেওয়া হবে।” ইউসাকুর চন্দ্রযাত্রা নিয়ে এলন জানিয়েছেন, “ইউসাকু নিজেই আমাদের যোগাযোগ করেছিলেন। আমরা খুশি উনি স্পেস এক্স-কে নির্বাচিত করেছেন।”

Advertisement

[বন্ধুর বিয়েতে উপহার ৫ লিটার পেট্রল!]

বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’-এ প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ইউসাকু জাপানের অন্যতম ধনী ব্যক্তি। অনলাইনে ক্লোদিংয়ের ব্যবসা (জোজো) ছাড়াও রয়েছে একটা শপিং মলও। অবসর সময়ে ‘মর্ডান আর্ট’ নিয়ে পড়াশোনা এবং তা দেখভালের কাজ করতে ভালবাসেন ইউসাকু। ভাল লাগলে কোটি কোটি টাকা দিয়ে কিনে ফেলেন শিল্পীদের আঁকা ছবি। শুধু শিল্প নয়, সে সঙ্গে তিনি ভালবাসেন শিল্পীদেরও। ইউসাকু জানালেন, “আমি চাই, আমি ছাড়া আরও সাত-আটজন শিল্পী আমার সঙ্গে চাঁদের যাত্রা পুরো করুক। ওঁদের জন্য টাকা খরচ করতেও আমি রাজি। সাতদিনের চন্দ্রাভিযানের পর পৃথিবীতে ফিরে যাতে ওঁরা সুন্দর কিছু তৈরি করতে পারেন।” সাতের দশকে ছিবায় জন্মেছেন ইউসাকু। পড়াশোনার পাশাপাশি ড্রাম বাজাতে
ভালবাসতেন। ১৯৯৫ সালে ইন্ডি রক ব্যান্ডও তৈরি করেছিলেন। তারপর গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে জাপান ছেড়ে আমেরিকায় চলে আসেন। নিজের গানের সিডিও বানিয়েছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন