৩৪ বছর পর পড়াশোনায় ফিরে চমক, মেয়ের সঙ্গে ডক্টরেট হলেন মা

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন তাঁরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০১৯, ২১:৫৭

options
link
৩৪ বছর পর পড়াশোনায় ফিরে চমক, মেয়ের সঙ্গে ডক্টরেট হলেন মা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনটা ১৫ মার্চ। এক ব্যতিক্রমী দৃশ্যের সাক্ষী থাকল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। এদিন মা ও মেয়েকে একসঙ্গে পিএইডি ডিগ্রি প্রদান করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

সদ্য পিএইডি প্রাপ্ত সেই মায়ের নাম মালা দত্ত। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকে ইকোনমিক সার্ভিস অফিসার হিসেবে কাজ করেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ১৯৮৫ সালে দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স করেন তিনি। তারপর আর পড়াশোনা হয়নি। কিন্তু ষোলোআনা ইচ্ছা ছিল পিএইচডি করবেন। তাই মেয়ে যখন পিএইডি করতে উদ্যত হলেন, তিনিও হয়ে গেলেন একই পথের পথিক। কলেজ শেষ করার প্রায় ৩৪ বছর পর পিএইচডি করলেন তিনি। মালা দত্ত জানিয়েছেন, তাঁর ছোটমেয়ে যখন দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দিচ্ছে, তখনই পরিকল্পনাটি তাঁর মাথায় আসে। তখন তিনি ফিন্যান্সে পিএইচডি করার জন্য আবেদন করেন। তিনি তখন পড়াশোনার জন্য চাকরি থেকে স্টাডি লিভ নেন। পড়াশোনা শুরু করেন। আর আজ তিনি শেষ পর্যন্ত পিএইচডি ডিগ্রি হাতে পেলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিজ্ঞাপন দিয়ে ‘ব্রেক-আপ’, হেসে লুটোপুটি নেটিজেনরা ]

Advertisement

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, তাদের ইতিহাসে এই প্রথমবার মা ও মেয়ে একসঙ্গে পিএইচডি ডিগ্রি পেলেন। গত বছরই মা ও মেয়ে মৌখিক পরীক্ষা দেন। মালা জানিয়েছেন, মেয়ের বয়সী পড়ুয়াদের সঙ্গে পড়াশোনা করা তাঁর কাছে খুব একটা সহজ ছিল না। কিন্তু তিনি গোটা বিষয়টা উপভোগ করেছেন। তাঁর কনভোকেশন ছিল গত বছর ১৯ নভেম্বর। কিন্তু তিনি সেদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি। মেয়ের সঙ্গেই ডিগ্রি নেবেন বলে অপেক্ষা করছিলেন।

মালা দত্তর মেয়ে শ্রেয়া মিশ্র ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের কনসালটেন্ট। গ্র্যাজুয়েশনের ২ বছর পর সাইকোলজিতে পিএইচডির জন্য আবেদন করেন তিনি। শ্রেয়া জানিয়েছেন, তিনি আবেদন করার পর ভাবেন যদি তিনি আর তাঁর মা একসঙ্গে পিএইচডি করেন, তাহলে কেমন হয়? দু’জনের জন্যই এটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে। তাই কঠোর পরিশ্রম করতে শুরু করেন তিনি। লক্ষ্য ছিল তিন বছরের মধ্যে পিএইচডি শেষ করতে হবে। ফলও মেলে। একসঙ্গেই পিএইডি ডিগ্রি হাতে পান তাঁরা।

স্ত্রীর প্রেমের পরীক্ষা নিতে গিয়ে এ কী হাল যুবকের! ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন