offbeat

৫৮ ঘণ্টা ধরে ঠোঁটঠাসা চুমুতে গিনেস বুকে ওঠে নাম, এবার সংসার ভাঙল সেই দম্পতিরই!

২০১৩ সালের ঘটনা। ঘড়ির কাঁটা ঘুরেছে। দিন পেরিয়ে রাত। রাত পেরিয়ে দিন। তবুও চুম্বন থামেনি। একটানা ৫৮ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড! বাথরুমে যাওয়া থেকে শুরু করে জলপান। সবটাই করতে হয়েছে ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কঠিন নিয়ম মেনে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন এই যুগল। দীর্ঘ ১২ বছর পর এবার সেই যুগলই দাম্পত্যে ইতি টানলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০২৬, ১৭:২৭

options
link
৫৮ ঘণ্টা ধরে ঠোঁটঠাসা চুমুতে গিনেস বুকে ওঠে নাম, এবার সংসার ভাঙল সেই দম্পতিরই!
গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কঠিন নিয়ম মেনে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন এই যুগল!

একটানা ৫৮ ঘণ্টা! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এই অসম্ভবকেই সম্ভব করেছিলেন তাঁরা। ঠোঁটে ঠোঁট রেখে তৈরি করেছিলেন বিশ্বরেকর্ড। কিন্তু সেই দীর্ঘতম চুম্বনের উষ্ণতাও শেষরক্ষা করতে পারল না। প্রেমের সেই ম্যারাথন শেষে এখন বিচ্ছেদের বিষাদ। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তোলা বিখ্যাত তাইল্যান্ড দম্পতি এক্কাচাই এবং লাকসানা তিরানারাত এবার হাঁটলেন সম্পর্কের ভিন্ন পথে। ১২ বছরের দাম্পত্যে ইতি টেনে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন দু’জনে।

Advertisement

২০১৩ সালের ঘটনা। ঘড়ির কাঁটা ঘুরেছে। দিন পেরিয়ে রাত। রাত পেরিয়ে দিন। তবুও চুম্বন থামেনি। একটানা ৫৮ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড! বাথরুমে যাওয়া থেকে শুরু করে জলপান। সবটাই করতে হয়েছে ঠোঁটে ঠোঁট রেখেই। গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের কঠিন নিয়ম মেনে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিলেন এই যুগল। এর আগে ২০১১ সালেও তাঁরা ৪৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চুম্বন করে রেকর্ড গড়েছিলেন। সেই রেকর্ড ভেঙে নিজেরাই নতুন ইতিহাস তৈরি করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আদতে এই প্রতিযোগিতায় নামার কথাই ছিল না তাঁদের। স্ত্রী লাকসানা তখন অসুস্থতা কাটিয়ে উঠছিলেন। এক্কাচাই চেয়েছিলেন স্ত্রীকে নিয়ে একটু ছুটি কাটাতে। সেই সময় একটি হিরের আংটি আর মোটা অঙ্কের পুরস্কারের লোভে মজা করেই অংশ নিয়েছিলেন প্রতিযোগিতায়। কিন্তু সেই মজাই তাঁদের পৌঁছে দিয়েছিল বিশ্বমঞ্চে।

Advertisement

সম্প্রতি বিবিসির একটি পডকাস্টে এসে এক্কাচাই নিজেই তাঁদের বিচ্ছেদের খবরটি নিশ্চিত করেছেন। তবে বিচ্ছেদ হলেও তিক্ততা নেই তাঁদের মধ্যে। এক্কাচাই জানিয়েছেন, তাঁরা আজও সেই কৃতিত্বের জন্য গর্বিত। স্মৃতিগুলো আগলে রাখতে চান। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে দু’জনে মিলে যৌথভাবে লালন-পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

গিনেস কর্তৃপক্ষ অবশ্য পরবর্তীতে এই বিভাগটি বাতিল করে দিয়েছে। তবে ইতিহাসের পাতায় এক্কাচাই ও লাকসানার নাম রয়ে গিয়েছে উজ্জ্বলভাবে। এক সময় যে ভালোবাসা রেকর্ড গড়েছিল, ২০২৫-এর শুরুতে সেই প্রেমের পরিণতি দেখে অবাক অনেকেই। তবে বিচ্ছেদের মেঘ ঘনালেও, সেই ৫৮ ঘণ্টার মহাকাব্যিক চুম্বনের স্মৃতি আজও তাঁদের জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় হয়ে রয়ে গেল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.