করোনা সংক্রমণ এড়াতে টয়গান থেকে ছেটানো হল ‘পবিত্র জল’, ভাইরাল পাদরির কীর্তি

পাদরির অভিনব এই কাণ্ড নিয়ে সরগরম নেটদুনিয়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৮, ২০২০, ১৩:১৮

options
link
করোনা সংক্রমণ এড়াতে টয়গান থেকে ছেটানো হল ‘পবিত্র জল’, ভাইরাল পাদরির কীর্তি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা থেকে বাঁচতে একটাই উপায়। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে না এলেই ছড়াবে না প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। তার করোনা থেকে বাঁচতে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই জারি হয়েছে লকডাউন। কোথাও পরিস্থিতি সুদিনের মুখ দেখায় লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে, কোথাও আবার এখনও শিথিল করার মতোই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়নি। তবে লকডাউন উঠে গেলেও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার কথা বারবার করে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের পরামর্শকে মান্যতা দিলেন খোদ পাদরি।

Advertisement

ছবিটি মিশিগানের। করোনার জেরে অনেক মন্দির, মসজিদ ও গির্জা বন্ধ রয়েছে। যেগুলি খোলা রয়েছে, সেখানেও জনসমাগম প্রায় নেই বললেই চলে। সামাজিক দূরত্ব কঠোরভাবে মেনে চলা যে হচ্ছে, তার প্রমাণ এই ভাইরাল হওয়া ছবি। ছবিটি তোলা হয়েছে এপ্রিল মাসের শেষের দিকে। সেখানে দেখা গিয়েছে, মিশিগানের একটি গির্জার পাদরি টিম পেলক সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ভক্তদের টয়গানের মাধ্যমে ‘পবিত্র জল’ ছিটিয়ে দিচ্ছেন। করোনার সময় ভক্তদের আশীর্বাদ করার এক অনন্য পন্থা খুঁজে বের করেছেন তিনি। পাদরির এই ছবিটি সেন্ট অ্যামব্রোজ প্যারিশের সোশ্যাল সাইটের সাইটের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এরপর থেকে নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছবিটি। কেউ কেউ পাদরির এই বুদ্ধিদীপ্ত কীর্তিকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেয়। কেউ আবার এটি নিয়ে হাসাহাসি শুরু করে। ছবিটিকে বিকৃত করে পোস্ট হতে থাকে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাদরির এই ছবিতে দু’দিনের মধ্যে ৫.৬ লক্ষ লাইক পড়ে যায়। রিট্যুইট হয় ১ লক্ষ বার।

ফাদার পেলকের বয়স ৭০ বছর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, ইস্টারের সময় তিনি আশীর্বাদ করার জন্য এই উপায় অবলম্বন করেছিলেন। করোনা থেকে নিজে বাঁচতে ও ভক্তদের বাঁচাতে জলের বন্দুক ব্যবহার করেন তিনি। মুখ মাস্কে ঢেকে, সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তিনি কাজটি করেন। ছবিতেই তার প্রমাণ। এই প্রক্রিয়াটি নিরাপদ কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য তিনি একজন ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শও করেছিলেন। ইস্টার নিয়ে ছোটরা খুব উৎসাহিত থাকে। তাই তিনি চেয়েছিলেন তাঁদের ভাল লাগে এমন কিছু করতে। অথচ যার সাহায্যে সামাজিক দূরত্বও বজায় থাকে। তাই এই অভিনব ভাবনা। তাঁর এমন কাণ্ড যে মানুষের ভাল লেগেছে, তাতেই খুশি পাদরি টিম পেলক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.