Rajasthan Kumbhakarna

এ কেমন ব্যামো! বছরের ৩০০ দিন ঘুমিয়েই কাটান রাজস্থানের ‘কুম্ভকর্ণ’

গল্প নয়, একেবারে ঘোর বাস্তব এ কাহিনি!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২১, ১৮:১৩

options
link
এ কেমন ব্যামো! বছরের ৩০০ দিন ঘুমিয়েই কাটান রাজস্থানের ‘কুম্ভকর্ণ’

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাধারণত একদিনে ৮ থেকে ৯ ঘণ্টাকে পর্যাপ্ত ঘুম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। তাই যদি হয় তাহলে বেশি ঘুম কত হতে পারে? ১০-১২ ঘণ্টা? নিদেন পক্ষে ১৪-১৫ ঘণ্টা? বছরের ৩০০ দিন কি ঘুমিয়ে থাকা যায়? যায়! গল্প নয় সত্যি! রাজস্থানের বাসিন্দা পুরখারামের ক্ষেত্রে এমনটাই হয়। ৩৬৫ দিনের মধ্যে ৩০০ দিনই ঘুমিয়েই কাটিয়ে দেন ৪২ বছরের ব্যক্তি। আর এতেই ‘কুম্ভকর্ণ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

Advertisement

বাঙালি পরিবারে কুম্ভকর্ণের নাম তখনই উচ্চারণ করা হয়, যখন কেউ একটু বেশিই ঘুমিয়ে থাকেন। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, রাবণ ও কুম্ভকর্ণ তপস্যায় ব্রহ্মাকে তুষ্ট করেছিলেন। রাবণ তাঁর কাঙ্খিত বর পেয়েছিলেন। তবে কুম্ভকর্ণের যখন ব্রহ্মাদেবের কাছে বর চাওয়ার পালা আসে, ইন্দ্রদেবের অনুরোধে দেবী সরস্বতী তাঁর জিহ্বা আড়ষ্ট করে দেন। আর সেই কারণেই নাকি ‘ইন্দ্রাসনে’র বদলে ‘নিদ্রাসন’ চেয়েছিলেন কুম্ভকর্ণ। তাঁর সেই ইচ্ছে পূরণ করেছিলেন ব্রহ্মাদেব। বছরের ছয় মাস ঘুমিয়েই থাকতেন কুম্ভকর্ণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দিনেদুপুরে দোকানে ঢুকে মদ খেয়ে মাতাল বাঁদর, দেখুন কাণ্ড!]

পুরখারাম ‘কুম্ভকর্ণ’ উপাধি অবশ্য নিজগুণে পাননি। অ্যাক্সিস হাইপারসোমনিয়া (Axis hypersomnia) নামের একটি বিরল রোগ বাসা বেঁধেছে তাঁর শরীরে। এতে আক্রান্ত মানুষজন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে ঘুমোতে থাকেন। ২৩ বছর আগে এই সমস্যা শুরু হয়েছিল। এখন একটানা ২৫ দিন ঘুমিয়ে থাকেন পুরখারাম। রোজগারের জন্য একটি মুদি দোকানও খুলেছিলেন। তাঁর ঘুমের ব্যামোর কারণে সেটিও বছরের বেশিরভাগ সময় বন্ধ থাকে। এমনও হয়েছে দোকানে বসে থাকতে থাকতেই ঘুমিয়ে পড়েছেন। সে ঘুম ভাঙানোর সাধ্য কারও নেই।

Advertisement

তাহলে কীভাবে চলে রাজস্থানের কুম্ভকর্ণের? পরিবার, আত্মীয় ও পাড়ার লোকজনই তাঁর খেয়াল রাখেন। পুরখারাম ঘুমিয়ে থাকলে সেই অবস্থাতেই তাঁকে খাইয়ে দেন তাঁর স্ত্রী লিছমিদেবী। ঘুমন্ত অবস্থাতেই তাঁকে স্নান করানো হয়। অনেক ডাক্তার দেখিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তবে পুরখারামের মা কঁওয়ারি দেবীর আশা, তাঁর ছেলে একদিন সুস্থ হবে, আর স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে।

[আরও পড়ুন: OMG! যৌনাঙ্গে রবার ব্যান্ড জড়িয়ে ফেললেন বৃদ্ধ, তারপর…]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.