Dirtiest

রান্নাঘরে ১৩ বছর আগের এঁটো বাসন, আবর্জনা! বিশ্বের সবচেয়ে অপরিচ্ছন্ন বাড়ির অন্দরমহল দেখেছেন?

ব্যাপারটা কী?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২১, ২০:৫৮

options
link
রান্নাঘরে ১৩ বছর আগের এঁটো বাসন, আবর্জনা! বিশ্বের সবচেয়ে অপরিচ্ছন্ন বাড়ির অন্দরমহল দেখেছেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাড়ি বলতেই মনের কোনে ভেসে ওঠে ঝাঁ-চকচকে, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন একটা ছবি। কিন্তু বাড়িতেই যদি জমে থাকে ১৩ বছরের আবর্জনা? রান্না ঘরে পড়ে থাকে ১৩ বছর আগে খেয়ে রাখা বাসন, তাহলে?  এমনই নোংরা এক বাড়ি বিক্রি হচ্ছে সূদূর ব্রিটেনে। নিশ্চয়ই ভাবছেন ব্যাপারটা কী?

Advertisement

ব্রিটেনের ডেভনের প্লাইমাউথে রয়েছে এই বাড়িটি। বহু পূর্বে এক দম্পতি থাকতেন সেখানে। কিন্তু শেষ তেরো বছর ধরে ফাঁকাই রয়েছে বাড়ি, তালা বন্ধ। আর সেই বাড়িই হচ্ছে আবর্জনার স্তুপ। এককথায় বিশ্বের সর্বাধিক নোংরা বাড়ি। জানা গিয়েছে, বাড়িটির বাইরের অংশ ভরে গিয়েছে আগাছায়। ভিতরে ঢুকলে আঁতকে উঠবেন যে কেউ। কারণ, ওই বাড়ির ভিতরে এখনও পড়ে রয়েছে ১৩ বছর আগেকার আবর্জনা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Advertisement

[আরও পড়ুন: মাথায় টুপি, পরনে স্যান্ডো গেঞ্জি, করিনার ‘বোলে চুড়িয়া’ গানে নেচে ভাইরাল টিকটক স্টার!]

জানা গিয়েছে, বাড়ির প্রতিটি ঘর, সিঁড়ি, ড্রয়িংরুম-সর্বত্র ভরতি আবর্জনা। কোথাও পড়ে রয়েছে কাগজ, কোথাও আবার প্লাস্টিক-সহ অন্যান্য জিনিস। রান্না ঘরে পড়ে রয়েছে ১৩ বছর আগে খাওয়া বাসন-পত্র। বীভৎস নোংরা হয়ে রয়েছে বাড়িটির বাথরুম। ওই বাড়ির বাথরুম চোখে দেখলে গা গুলিয়ে উঠতে বাধ্য।

যদিও নোংরা নিয়ে এখন একেবারেই ভাবছেন না বাড়ির মালিকের সন্তান। পরিস্কার করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। যে অবস্থায় রয়েছে, সেভাবেই বাড়িটি বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে বাড়ির বর্তমান মালিকরা বুঝতে পারছেন না, দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে বন্ধ যে বাড়ি সেখানে কীভাবে এত ধুলো, আবর্জনা? তবে দ্রুত বাড়িটি বিক্রি করাই এখন লক্ষ্য তাঁদের।

[আরও পড়ুন:  হিন্দুদের দীপাবলির শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এ কী করলেন পাকিস্তানের মন্ত্রী! শোরগোল নেটদুনিয়ায়]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.