রাস্তায় থাকলে এঁটোকাঁটা বা বিস্কুট। আর বাড়ির পোষ্য হলে মাংস-ভাত, ফলমূল। দিনভর এসব খাবারই জোটে ওদের। কেক, মিষ্টি, আইসক্রিম – এসব দূরঅস্ত। কারণ, মিষ্টি ওদের পক্ষে একেবারে ‘বিষ’। পথকুকুরদের অবশ্য অত বাছবিচারের বালাই নেই, সুযোগও নেই। তারা এন্তার মিষ্টি স্বাদের বিস্কুট খেয়ে ফেলে। কিন্তু বাড়ির কুকুরদের জন্য এসব একেবারে ‘না’। তারপরও ভিন্ন ছবি দেখা যাচ্ছে জয়পুরে। সেখানে রাস্তার কালু-ভুলুই হোক বা আর বিদেশি পোষ্য টমি-জিনি-চিনিই হোক, সকলে চেটেপুটে খাচ্ছে কুলফি! ভাবছেন তো এও কি সত্যি? তাহলে জেনে রাখুন, এ একেবারে খাঁটি বাস্তব। হবে নাই বা কেন? কুকুরদের জন্য বিশেষভাবে সুগার ফ্রি কুলফি বানিয়েছেন জয়পুরের ওই বিক্রেতা। মুহূর্তের মধ্যে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। পশুপ্রেমীরা ওই কুলফি বিক্রেতাকে ভালোবেসে বলছেন ‘কিউটি আঙ্কেল’।
আরও পড়ুন:
ব্যাপারটা ঠিক কী? খুলেই বলা যাক। বিক্রম মিত্তার নামে এক ইনস্টাগ্রাম ইউজারের পোস্ট থেকে যা জানা যাচ্ছে, তা খানিকটা এরকম। জয়পুরের রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে একদিন তাঁর চোখে পড়ে, বেশ কয়েকজন একজন কুলফি বিক্রেতার থেকে কুলফি কিনছেন, তাঁদের কোলে পোষ্য কুকুর। তারা চেটেপুটে খাচ্ছে সেই কুলফি। শুধু তাই নয়, রাস্তার দু-একটি কুকুরও কুলফি খাচ্ছে। তা দেখে বেশ অবাক হন বিক্রম। খোঁজখবর করতে গিয়েই জানতে পারেন চমকপ্রদ তথ্য। ওই বিক্রেতা সারমেয়দের কথা ভেবে একেবারে চিনি ছাড়া কুলফি তৈরি করছেন। আর তাই নিশ্চিন্তে নিজের পোষ্য সারমেয়দের কুলফি খাওয়াচ্ছেন মালিকরা। রাস্তার কুকুররা মহানন্দে তা খাচ্ছে।
সোশাল মিডিয়া পোস্টে বিক্রম জানান, তারা কুলফি খেয়ে বেশ আনন্দ পেয়েছে! বিক্রম ওই বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, জয়পুরের রাস্তায় তিনি কুলফির গাড়ি নিয়ে ঘুরলে আশপাশের পথকুকুররা জড়ো হয়। তাদের দেখে বড় মায়া হয়েছিল তাঁর। ভেবেছিলেন, ওদেরও যদি কুলফি খাওয়ানো যায়। তারপরই তাঁর মাথায় আসে, চিনি ছাড়া কুলফি তৈরি করলে ওরা খেতে পারবে। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ! তাতেই কুকুরদের জন্য নয়া আইটেম রেডি – কুলফি।
এসব জেনে উৎসাহী হয়ে ওঠেন বিক্রম। কুলফি বিক্রেতার কাছ থেকে নিজের পোষ্য তারার জন্য কুলফি কেনেন। বাড়ি গিয়ে তা খাওয়ান। সোশাল মিডিয়া পোস্টে বিক্রম জানান, তারা কুলফি খেয়ে বেশ আনন্দ পেয়েছে! বিক্রম ওই বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, জয়পুরের রাস্তায় তিনি কুলফির গাড়ি নিয়ে ঘুরলে আশপাশের পথকুকুররা জড়ো হয়। তাদের দেখে বড় মায়া হয়েছিল তাঁর। ভেবেছিলেন, ওদেরও যদি কুলফি খাওয়ানো যায়। তারপরই তাঁর মাথায় আসে, চিনি ছাড়া কুলফি তৈরি করলে ওরা খেতে পারবে। যেমন ভাবনা, তেমন কাজ! তাতেই কুকুরদের জন্য নয়া আইটেম রেডি – কুলফি।
নিজের এই অভিনব ভাবনার জন্য নেটদুনিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়েছেন জয়পুরের ওই বিক্রেতা। ওই ভিডিওর নিচে কেউ লিখছেন – ‘দারুণ আইডিয়া’, কারও মন্তব্য, ‘ভাবনা সুন্দর হলে মহৎ কিছু সৃষ্টি হয়’। ভালোবেসে নেটিজেনরা তাঁর নাম দিয়েছেন ‘কিউটি আঙ্কেল।’
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ক্যানসারজয়ী দত্তককন্যার প্রথম সিনেমা, ‘নিজের লড়াই ভুলে যেও না মা’, আবেগঘন বিবেক ওবেরয়
-
শিল্পবার্তা নিয়ে শুভেন্দুর মুখে বুদ্ধদেবের প্রশংসা, তুলোধোনা মমতাকে
-
‘৩ মাস পেরিয়ে গিয়েছে’, এনসিপিআই সাংসদদের পদ নিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত চায় সুপ্রিম কোর্ট
-
জাহাজ লক্ষ্য করে ধেয়ে এল টর্পেডো! হরমুজের কাছে ফের মৃত্যু ভারতীয় নাবিকের
-
ড্রাগন-হাতির ট্যাঙ্গো চাইছে বেজিং! সীমান্ত বিতর্কের মাঝেই কলকাতায় চিনা দূতের মুখে মৈত্রীর বার্তা