Credit Card

ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটাননি! শ্রীঘরে ঠাঁই হবে না তো? জানুন আসল নিয়ম

পকেটে প্লাস্টিক মানি থাকলে খরচ করার হাত যে খোলে, তা বলাই বাহুল্য। শপিং মল থেকে রেস্তোরাঁ— সোয়াইপ করলেই কেল্লাফতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে মাসের শেষে বিল মেটানোর সময়। পকেটে টান পড়লে অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখেন। সবথেকে বড় প্রশ্ন মনে উঁকি দেয়— ক্রেডিট কার্ডের বিল না দিলে কি জেল হতে পারে? জেনে নিন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬, ২১:২৫

options
link
ক্রেডিট কার্ডের বিল মেটাননি! শ্রীঘরে ঠাঁই হবে না তো? জানুন আসল নিয়ম
ক্রেডিট কার্ডের বিল না দিলে কি জেল হতে পারে?

পকেটে প্লাস্টিক মানি থাকলে খরচ করার হাত যে খোলে, তা বলাই বাহুল্য। শপিং মল থেকে রেস্তোরাঁ— সোয়াইপ করলেই কেল্লাফতে। কিন্তু বিপত্তি বাধে মাসের শেষে বিল মেটানোর সময়। পকেটে টান পড়লে অনেকেই সিঁদুরে মেঘ দেখেন। সবথেকে বড় প্রশ্ন মনে উঁকি দেয়— ক্রেডিট কার্ডের বিল না দিলে কি জেল হতে পারে?

Advertisement
ছবি: সংগৃহীত

আইন কী বলছে?
প্রথমেই জেনে রাখা ভালো, ক্রেডিট কার্ডের বিল না মেটানো কোনও ফৌজদারি অপরাধ নয়। এটি মূলত একটি দেওয়ানি বিরোধ (Civil Dispute)। সাধারণ বিল খেলাপের জন্য পুলিশ সরাসরি আপনার দরজায় এসে কড়া নাড়বে না। ব্যাঙ্ক বা কার্ড সংস্থা আপনাকে ফোন, এসএমএস বা ইমেলের মাধ্যমে বকেয়া মেটানোর কথা মনে করিয়ে দেবে। দীর্ঘদিন টাকা না মেটালে তারা রিকভারি এজেন্টদের সাহায্য নেয়। প্রয়োজনে ব্যাঙ্ক দেওয়ানি আদালতে মামলা করতে পারে। আদালত বকেয়া আদায়ের নির্দেশ দিলেও সরাসরি জেলে পাঠানোর হুকুম দেয় না।

Advertisement

বিপত্তি কখন গুরুতর হয়?
যদি দেখা যায়, কেউ জাল নথি জমা দিয়ে বা তথ্য গোপন করে কার্ড নিয়েছেন, তবে বিষয়টি আর সাধারণ থাকে না। জেনেশুনে প্রতারণার আশ্রয় নিলে বা কার্ড পাওয়ার সময় টাকা মেটানোর ন্যূনতম সদিচ্ছা না থাকলে, তা জালিয়াতি হিসেবে গণ্য হয়। এই ক্ষেত্রে ব্যাঙ্ক আপনার বিরুদ্ধে জালিয়াতি বা ৪২০ ধারায় ফৌজদারি মামলা করতে পারে। তথ্য প্রমাণে প্রতারণা ধরা পড়লে তবেই কারাদণ্ডের ঝুঁকি থাকে।

Advertisement

 

পরিনতি কী হতে পারে?
জেল না হলেও বিল না মেটানোর ফল কিন্তু বেশ তেতো।
১) ক্রেডিট স্কোর: বিল মেটাতে এক মাস দেরি হলেও আপনার সিবিল (CIBIL) স্কোর হুড়মুড়িয়ে পড়ে যেতে পারে। ফলে ভবিষ্যতে হোম লোন বা কার লোন পাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

ছবি: সংগৃহীত

২) সুদের পাহাড়: নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেই বকেয়া টাকার ওপর চড়া হারে সুদ এবং লেট ফি চাপতে শুরু করে। যা কয়েক মাসেই আসল টাকাকে ছাপিয়ে যেতে পারে।

৩) আইনি নোটিস: ব্যাঙ্ক বারবার নোটিস পাঠাবে এবং আপনাকে ব্ল্যাকলিস্টেড করতে পারে।

এক কথায়, ঋণ খেলাপি হওয়া অপরাধ নয়। কিন্তু প্রতারণা করা দণ্ডনীয়। তাই অহেতুক আতঙ্কিত না হয়ে ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি সামলানোই যেকোনও পরিস্থিতিতে বুদ্ধিমানের কাজ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.