নিজস্ব একটা ফ্ল্যাটবাড়ির স্বপ্ন দেখতে কার না ভালো লাগে? কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণের পথে বড় বাধা হতে পারে শব্দের গোলকধাঁধা! ব্যাপারটা ঠিক কী? অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বিপুল টাকা দিয়েও ক্রেতারা হাতে পাচ্ছেন অনেক কম জায়গা। ব্রোকার বা প্রোমোটারদের হাতে প্রতারিত না হতে চাইলে ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনার আগে কয়েকটা জিনিস জেনে নেওয়া জরুরি।
আরও পড়ুন:

কার্পেট এরিয়া না জানলেই লোকসান
সহজ কথায় বললে, আপনার বাড়ির যে অংশটুকুতে আপনি কার্পেট বিছাতে পারবেন বা আসবাব রাখতে পারবেন, সেটুকুই কার্পেট এরিয়া। অর্থাৎ চার দেওয়ালের ভেতরের ব্যবহারযোগ্য এলাকা। এর মধ্যে ড্রয়িং রুম, বেডরুম, রান্নাঘর ও শৌচাগার পড়ে। তবে মনে রাখবেন, বারান্দা বা টেরেস কিন্তু কার্পেট এরিয়ার অংশ নয়। প্রোমোটাররা অনেক সময় মোট এলাকার কথা বলে বিভ্রান্ত করেন। তাই সব সময় ‘নেট কার্পেট এরিয়া’ কত, তা বুঝে নিন।
বিল্ট-আপ ও সুপার বিল্ট-আপের মারপ্যাঁচ
বিল্ট-আপ এরিয়া হল কার্পেট এরিয়া প্লাস দেওয়ালের পুরুত্ব ও বারান্দার এলাকা। এটি সাধারণত কার্পেট এরিয়ার চেয়ে ১৫-৩০ শতাংশ বেশি হয়। অন্যদিকে, ‘সুপার বিল্ট-আপ’ এলাকায় লিফট, সিঁড়ি, জিম বা ক্লাবের মতো সাধারণ জায়গাও ধরা থাকে। বিল্ডাররা বড় এলাকা দেখিয়ে ফ্ল্যাটের দাম বাড়াতে সুপার বিল্ট-আপের হিসেব দেন। কিন্তু মনে রাখবেন, রেরা (RERA) আইন অনুযায়ী এখন শুধু কার্পেট এরিয়ার ভিত্তিতেই লেনদেন হওয়া উচিত।

বাড়ি তৈরির কাজ চলাকালীন কোনও প্রজেক্টে যদি দেওয়া প্রতিশ্রুতির চেয়ে কার্পেট এরিয়া কমে যায়, তবে টাকা ফেরত পাওয়ার আইনি অধিকার ক্রেতার আছে। বিল্ডারকে সেই ঘাটতি মেটানোর টাকা বার্ষিক সুদ-সহ ৪৫ দিনের মধ্যে ফেরত দিতে হবে।
তাই ফ্ল্যাট বাড়ি কেনার আগে স্রেফ বাইরের চাকচিক্য নয়, কাগজপত্রের হিসেব বুঝে পা বাড়ান। তাতে পকেটের টাকা যেমন বাঁচবে, তেমনই সুরক্ষিত থাকবে আপনার ভবিষ্যৎও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘২৫ টাকার গেরুয়া গামছা পরে বিজেপি হওয়া যাবে না’, ‘নব্য’দের কড়া হুঁশিয়ারি নেতার
-
পুজোর মুখে বাড়ল রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ কর্মীদের রেশন ভাতা, কত টাকা মিলবে মাসে?
-
চানাচুরের প্যাকেটে পচা ইঁদুর! হুগলিতে কারখানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ, হুলুস্থুল
-
তিন ওভার, হাতে এক উইকেট! অজি বোলিং বিক্রম সামলে নাটকীয় টেস্ট ড্র ভারতের তরুণ তুর্কিদের
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত