Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Saraswati Puja 2026

২২ নাকি ২৩ জানুয়ারি! বাগদেবীর আরাধনা কবে? তিথি মেনে দিন অঞ্জলি-হাতেখড়ি, রইল নির্ঘণ্ট

দৃকপঞ্জিকা এবং বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা— উভয় মতেই তিথির সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও পুজোর দিন নিয়ে সংশয় নেই।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৫:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৫:২০

options
link
২২ নাকি ২৩ জানুয়ারি! বাগদেবীর আরাধনা কবে? তিথি মেনে দিন অঞ্জলি-হাতেখড়ি, রইল নির্ঘণ্ট zoom
Advertisement

মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষের পঞ্চমী তিথিতে পালিত হয় সরস্বতী পুজো। শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব ঘিরে এবার খানিকটা তিথির গেরো থাকলেও, পঞ্জিকা স্পষ্ট করে দিল নির্ঘণ্ট। আগামী ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাংলার ৯ মাঘ) শুক্রবার দেশজুড়ে পালিত হবে বসন্ত পঞ্চমী তথা বাগদেবীর আরাধনা।

Saraswati Puja 2026

Advertisement

সরস্বতী পুজো ২০২৬ কবে?
মাঘ মাসের শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে জ্ঞান ও শিল্পকলার দেবীর আরাধনা করা হয়। দৃকপঞ্জিকা এবং বেণীমাধব শীলের পঞ্জিকা— উভয় মতেই তিথির সূক্ষ্ম পার্থক্য থাকলেও পুজোর দিন নিয়ে সংশয় নেই। ২২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার গভীর রাত (রাত ১টা ৩৯ মিনিট থেকে ২টো ২৯ মিনিটের মধ্যে) থেকেই পঞ্চমী তিথি পড়ে যাচ্ছে। শাস্ত্র মতে, উদয়া তিথিতে পুজো করাই প্রশস্ত। সেই নিয়ম মেনেই ২৩ জানুয়ারি শুক্রবারই মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর বন্দনা হবে।

কখন দেবেন অঞ্জলি?
পঞ্চমী তিথি ২৩ জানুয়ারি রাত ১২টা ২৯ মিনিট (মতান্তরে রাত ১টা ৪৭ মিনিট) পর্যন্ত স্থায়ী হবে। ফলে শুক্রবার সকালেই পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার মোক্ষম সময়। নিয়ম অনুযায়ী, এদিন সকালে স্নান সেরে উপোস থেকে বাসন্তী পোশাকে দেবীর চরণে ফুল অর্পণ করেন শিক্ষার্থীরা। হাতেখড়ির জন্যও এদিন সকালের সময়টি অত্যন্ত শুভ।

পুষ্পাঞ্জলি মন্ত্র
বাগদেবীর চরণে তিনবার পুষ্পাঞ্জলি দেওয়ার বিধান রয়েছে। মূল মন্ত্রটি হল, “ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে, কুচযুগ-শোভিত মুক্তাহারে। বীণারঞ্জিত পুস্তক হস্তে, ভগবতী ভারতী দেবী নমোহস্তুতে।।” শিক্ষার্থীরা দেবীর কাছে প্রার্থনা করেন— “বিদ্যাৎ দেহি নমোহস্তুতে”, অর্থাৎ আমাকে বিদ্যা ও জ্ঞান দান করো।

Saraswati Puja 2026 timings

বসন্ত পঞ্চমীর মাহাত্ম্য
এই দিনটি কেবল পুজোর দিন নয়, বরং ঋতুরাজ বসন্তের শুভাগমন বার্তা। বসন্ত পঞ্চমী থেকেই প্রকৃতির রূপ বদলাতে শুরু করে। মনে করা হয়, এই দিনেই দেবী সরস্বতীর আবির্ভাব ঘটেছিল। তাই বাগদেবীর পাশাপাশি এদিন গণেশ, লক্ষ্মী ও বাদ্যযন্ত্রেরও পুজো করা হয়। এদিন থেকেই শীতের প্রকোপ কমে বসন্তের হালকা হাওয়ার ছোঁয়া লাগে। বাঙালির লোকসংস্কৃতিতে এদিন কুল খাওয়ার রীতিটিও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। কুলের অম্লতা যাতে শরীরে রোগ না ঘটায়, তাই পুজোর আগে কুল না খাওয়ার ধর্মীয় বিধান আসলে স্বাস্থ্য সচেতনতারই নামান্তর। সব মিলিয়ে ভক্তি, সংস্কৃতি আর নতুনের আবাহনে ২০২৬-এর বসন্ত পঞ্চমী হতে চলেছে অনন্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.